নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর পল্লবীর বাউনিয়াবাধ এলাকায় সরকারি জমি উদ্ধার করতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার মুখে পড়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যরা। ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় অন্তত সাতজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আবারও উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে প্রশাসন।
বুধবার (২০ মে) সকাল ১০টা থেকে কালসী স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল বাতেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য অংশ নেন।
পুলিশ জানায়, বাউনিয়াবাধ এলাকার সরকারি জমিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বস্তিঘর, গ্যারেজ, ভাঙারির দোকান, রাজনৈতিক ক্লাব ও মাদকের আস্তানা গড়ে তোলা হয়েছিল। প্রায় ৫০ বিঘা সরকারি জমি দখলমুক্ত করতেই এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। বিশেষ করে বস্তিবাসীদের জন্য নির্মিত ৫৩৩ ফ্ল্যাট প্রকল্পের পশ্চিম পাশে অধিগ্রহণ করা জমি এবং পুনর্বাসন জোনের তিন রাস্তার ওপর থাকা স্থাপনাগুলো সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার বলেন, “জাতীয় গৃহায়নের দখল হওয়া জায়গা উদ্ধার করতে গেলে স্থানীয়রা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।”
তিনি আরও জানান, দুপুর ১২টার দিকে পরিস্থিতি হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। “স্থানীয়রা অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। আহতদের রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে,” বলেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, হামলার সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে দফায় দফায় ইটপাটকেল ছোড়া হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে প্রাণ বাঁচাতে দায়িত্বরত সদস্যদের দৌড়ে সরে যেতে দেখা যায়।
প্রাথমিকভাবে আহতদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও দুইজন নারী পুলিশ সদস্য রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
দুপুরের বিরতির পর আবারও উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। পুলিশ বলছে, সরকা











