অনলাইন ডেস্ক:
বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে সম্প্রতি তার অভিনয় জীবনের শুরুর দিকের এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন। ২০০৫ সালে মহেশ মাঞ্জরেকর পরিচালিত ‘বাহ’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। তবে প্রথম সিনেমাতেই প্রযোজকদের অপেশাদার ও অসম্মানজনক আচরণের শিকার হতে হয় তাকে। ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাধিকা জানান, সিনেমাটির প্রযোজকরা তাদের থাকার ব্যবস্থা ও পারিশ্রমিক—কোনোটিই দেননি। এমনকি চুক্তিপত্রে সইয়ের দাবি জানালে তার সঙ্গে ও তার মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়।
রাধিকার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রযোজকরা দাবি করেছিলেন—বড় তারকারাও নাকি চুক্তিপত্রে সই করেন না। যদিও এ বক্তব্যে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। তবে পরিচালক মহেশ মাঞ্জরেকরের আচরণ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং পেশাদার—যার প্রশংসাও করেন এই অভিনেত্রী। অভিষেক সিনেমার এমন অভিজ্ঞতা তার মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল বলে জানান তিনি। আনুষ্ঠানিক চুক্তি না থাকা ও অগোছালো ব্যবস্থাপনার কারণে দীর্ঘদিন সিনেমা থেকে দূরে ছিলেন রাধিকা।
মঞ্চনাটক ‘ব্রেন সার্জন’-এ অভিনয়ের জন্য একটি রাজ্য প্রতিযোগিতায় পুরস্কার জেতার পরই মহেশ মাঞ্জরেকরের নজরে আসেন তিনি। তবে ‘বাহ’ সিনেমায় পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করার পর কলেজ জীবন শেষ করে অনেকদিন আর চলচ্চিত্রে ফেরেননি। পরবর্তীতে ‘পার্চড’, ‘ম্যাডলি’, ‘সিস্টার মিডনাইট’-এর মতো সিনেমায় সাহসী ও ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন রাধিকা আপ্তে।
ব্যক্তিগত জীবনে ২০১২ সালে ব্রিটিশ সংগীতজ্ঞ বেনেডিক্ট টেলরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের ১২ বছর পর গত বছরের ডিসেম্বরে মা হন এই অভিনেত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে কাজ কম করলেও চলতি বছরে ‘লাস্ট ডেস’ ও ‘সালি মোহব্বত’—দুটি সিনেমায় তাকে দেখা গেছে। আপাতত নতুন কোনো প্রকল্প হাতে না নিলেও নিজের দুই দশকের অভিনয়যাত্রা নিয়ে সন্তুষ্ট রাধিকা আপ্তে।











