বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতার দাবি: ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি চাওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক:

‘আদিবাসী’ শব্দকে সংবিধান বিরোধী ও দেশবিরোধী দাবি করে এই স্বীকৃতি চাওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছে বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতা নামের একটি সংগঠন। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনটি এই দাবি জানায়। সমাবেশটি ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলার প্রতিবাদ করা হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তৃতা দিতে গিয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মুহম্মদ শামসুদ্দিন বলেন, “যারা নিজেদের আদিবাসী দাবি করছেন, তারা দেশের বাইরে থেকে এখানে এসেছেন এবং তাদের দাবি অগ্রহণযোগ্য। এই দেশে আদিবাসী কখনো ছিল না, ভবিষ্যতেও থাকবে না।” তিনি আরও বলেন, “এদের দাবি শুধু রং নাম্বারে ডায়াল করা হবে।”

এছাড়া, অন্য বক্তারা বলেন, সম্প্রতি এনসিটিবির পরিমার্জন কমিটিতে নিয়োগপ্রাপ্ত বহিরাগত লাল সন্ত্রাসী রাখাল রাহা ও তার সহযোগীরা পাঠ্যবইয়ে ‘আদিবাসী’ শব্দের অন্তর্ভুক্তি করেছেন, যা রাষ্ট্রের সংবিধান ও আইন বিরোধী। বক্তারা দাবি করেন, এই পদক্ষেপটি পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশের মূলভাগ থেকে বিচ্ছিন্ন করার সুপ্ত পরিকল্পনা হিসেবে চলছিল।

বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়: ১. ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’ সংগঠনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা তুলে নিতে হবে এবং তাদের সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। ২. মতিঝিলে সহিংস ঘটনা তৈরির পরিকল্পনাকারী লাল সন্ত্রাসী রাখাল রাহা, অলিক মৃ, আরমানুল হকসহ তাদের সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ৩. ‘আদিবাসী’ শব্দটি সংবিধান বিরোধী ও দেশবিরোধী, এবং যারা এই স্বীকৃতি চাচ্ছে বা প্রচার করছে, তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

এ সময় বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতার সহ-মুখপাত্র মুহম্মদ রাসেল এবং মুহম্মদ সাইদুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।