অনলাইন ডেস্ক:
বিজ্ঞানীরা ভূমধ্যসাগরের গভীরে এমন একটি ভুতুরে কণার খোঁজ পেয়েছেন, যা পূর্বে আবিষ্কৃত নিউট্রিনো কণাগুলোর চেয়ে প্রায় ৩০ গুণ বেশি গতিশীল। এই কণাটি একটি নির্মাণাধীন নিউট্রিনো ডিটেক্টরের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে।
নিউট্রিনো হলো ক্ষুদ্র পারমাণবিক কণা, যা আলোর চেয়েও দ্রুতগতি সম্পন্ন। এটি অশূন্য ভরের কণা হিসেবে পরিচিত এবং পর্দাথের মধ্য দিয়ে প্রায় অবিকৃতভাবে চলতে পারে, এই কারণেই এটিকে ‘ভুতুরে কণা’ বলা হয়। নিউট্রিনো গ্রীক বর্ণ ‘ν’ দিয়ে চিহ্নিত করা হয় এবং এর অর্থ হচ্ছে ‘ক্ষুদ্র নিরপেক্ষ কণা’।
বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এই কণা ছায়াপথের বাইরে থেকে এসেছে, তবে এর সঠিক উৎস এখনও অজানা। সাধারণত সূর্যের মতো তারকা থেকে এসব নিউট্রিনো আসে এবং প্রতি মুহূর্তে পৃথিবীর মাধ্যমে কোটি কোটি নিউট্রিনো চলে যায়। এতোই মিহি এই কণাগুলি, যে এগুলোর শনাক্তকরণ অত্যন্ত কঠিন।
বিজ্ঞানীরা নিউট্রিনো কণার সংঘর্ষের পর কি ঘটতে পারে, সে বিষয়ে গবেষণা করছেন। তাদের কাজের মধ্যে গত দুই বছরে মিউয়ন মৌলিক কণিকা তৈরি হয়েছে, যা মহাজাগতিক রশ্মির মাধ্যমে পৃথিবী পৃষ্ঠ ভেদ করতে সক্ষম।
এই গবেষণার জন্য নিউট্রিনো ডিটেক্টর সাধারণত মাটির গভীরে, বরফের নিচে অথবা পানির নিচে স্থাপন করা হয়, যাতে ভূ-উপরিভাগের বিকিরণ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়।
নেদারল্যান্ডসের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর সাব-এটোমিক ফিজিক্স (নিকহেফ) এর বিজ্ঞানী আরার্ট হেইজবোয়ের বলেছেন, “আমরা মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ-জ্বালানি প্রক্রিয়াগুলো বোঝার চেষ্টা করছি।”











