নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ করে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে কাকরাইল এলাকায় দুটি দলের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। রাত সোয়া ৯টার দিকে সংঘর্ষ চরমে পৌঁছালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলপ্রয়োগ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সংঘর্ষ শুরু হলে প্রথমে পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে সংঘর্ষ তীব্র হলে সেনাবাহিনীর সহায়তা নেওয়া হয়। পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন।
আইএসপিআর আরও জানায়, সংঘর্ষে অংশগ্রহণকারীদের বারবার অনুরোধ করা হয় শান্ত থাকার জন্য। তবে কিছু নেতাকর্মী মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা বাড়ায়, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ার চেষ্টা চালায়।
এ সময় বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।
সেনাবাহিনীর ৫ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানায় আইএসপিআর। সরকার ‘মব ভায়োলেন্স’-এর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং সেনাবাহিনী এই নীতিকে সমর্থন জানিয়ে জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা কঠোর অবস্থানে থাকবে।










