অনলাইন ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ফেডারেল অনুদান ও ঋণ স্থগিতের যে আদেশ দেওয়া হয়েছিল, তা আদালতের রায়ে কার্যকর হওয়ার আগেই স্থগিত করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকাল ৫টায় এই আদেশটি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল, তবে আদালতের নির্দেশে তা স্থগিত রাখা হয়েছে।
আদালত বিচারক লরেন আলি খান আগামী সোমবার পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ জারি করেছেন এবং ওইদিন আদেশটি পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে। এর আগে, অনুমোদিত অর্থায়ন বন্ধের অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্ত সংগঠনগুলোর একটি গ্রুপ এই আদেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল। মামলায় বলা হয়, হোয়াইট হাউজ ইতোমধ্যেই অনুমোদিত তহবিল স্থগিত করে আইন লঙ্ঘন করেছে।
ফেডারেল আর্থিক সহায়তা এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এতে বলা হয়, মঞ্জুরি ও ঋণ বিষয়ক কার্যক্রম নতুন প্রশাসনের পর্যালোচনার জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিয়াভিট এই পদক্ষেপের পক্ষে সাফাই দিয়ে বলেন, “মার্কিন জনগণের করের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
তবে বিরোধী দল এবং ক্ষতিগ্রস্ত সংস্থাগুলো এই আদেশের তীব্র বিরোধিতা করেছে। তাদের অভিযোগ, এই আদেশের কারণে দুর্যোগ সহায়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রকল্পের অর্থায়নও আটকে যেতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে অনেক অলাভজনক সংস্থা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
আদালতের স্থগিতাদেশের ফলে আপাতত এই অর্থায়ন অব্যাহত থাকবে। তবে সোমবার পরবর্তী শুনানির পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে, যা ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলতে পারে বিভিন্ন তহবিল এবং কার্যক্রমের ওপর।











