শ্রেয়া ঘোষালকে নিয়ে আমাকে অনেকে ফোন করে প্রশ্ন তুলেছিল: ফারাহ খান
অনলাইন ডেস্ক:
বলিউডের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শ্রেয়া ঘোষালের প্রতি শুরু থেকেই অগাধ আস্থা ছিল কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক ফারাহ খানের, যদিও ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই তখন তাকে দিয়ে বড় সিনেমায় গান করানোর পক্ষে ছিলেন না এবং খোদ ফারাহকে ফোন করেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।
সম্প্রতি এই জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীর মুম্বাইয়ের বাসায় গিয়ে অতীতের সেই স্মৃতি রোমন্থন করেছেন খ্যাতনামা এই পরিচালক, যেখানে উঠে আসে ২০০৩ সালে ‘ম্যায় হুঁ না’ সিনেমায় তাদের প্রথম কাজের নানা স্মৃতি।
২০০৩ সালে ‘ম্যায় হুঁ না’ সিনেমার গান রেকর্ডের সময় শ্রেয়া ঘোষালের বয়স অত্যন্ত কম ছিল উল্লেখ করে ফারাহ খান সেই স্মৃতি হাতড়ে জিজ্ঞাসা করেন যে, শ্রেয়া, ‘ম্যায় হুঁ না’-র জন্য গান গাইতে যখন এসেছিলে, তখন তোমার বয়স কত ছিল? এর পরেই আবার কোরিওগ্রাফার বলেন যে, ও তখন একেবারেই নতুন এবং খুব কমবয়সি প্রতিভা, আর তিনি সিনেমার জন্য একটি নতুন কণ্ঠ চেয়েছিলেন।
সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘দেবদাস’ সিনেমায় গান গেয়েই মূলত পরিচিতি লাভ করেছিলেন সংগীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল, আর তারপরেই তাকে ‘ম্যায় হুঁ না’ সিনেমায় গাওয়ার সুযোগ দেন পরিচালক ফারাহ খান। সিনেমার সেটে নিজেদের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে গায়িকা শ্রেয়া জানান যে, তিনি প্রথমবার দেখেছিলেন শুটিংয়ের জায়গায় এত রকম খাবারের আয়োজন করা হয়।
শ্রেয়ার গলায় গান শুনে পরিচালক ফারাহ এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে তিনি তাকে উপহারও দিয়েছিলেন, তবে এই কিশোরী গায়িকাকে সিনেমায় নেওয়ার নেপথ্যে সুরকার অনু মালিকের বড় একটি ভূমিকা ছিল যিনি মূলত ফারাহকে শ্রেয়ার কথা বলেছিলেন। ফারাহ খান এ প্রসঙ্গে বলেন যে, অনু তাকে বলেছিলেন এই মেয়েটিকে নেওয়ার জন্য কারণ সে অসাধারণ গান গায়।
তবে শ্রেয়া ঘোষালকে নিয়ে শুরুতে কিছুটা দ্বিধায় ভুগেছিলেন ফারাহ খানও, কারণ ‘তুম হে জো ম্যায়নে দেখা’ গানটি ছিল বেশ আবেদনময় এবং সেই সময়ে শ্রেয়ার বয়স ছিল মাত্র ১৭ কিংবা ১৮ বছর। এ কোরিওগ্রাফার বলেন যে, তিনি ভাবছিলে শ্রেয়া কীভাবে এই গান গাইবে কারণ এই গানটা তো অনেকটা সুনিধি চৌহানের ধরনের, কিন্তু তা সত্ত্বেও শ্রেয়া অত্যন্ত দারুণ গেয়েছিল।
