অনলাইন ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন প্রশাসন গঠন ও আমলাতন্ত্রে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। তার প্রভাব এখন স্পষ্টভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিফলিত হচ্ছে। গত শনিবার বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ভূমি ব্যবস্থাপনা, সামরিক ভেটেরানদের দেখাশোনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ১০ হাজারেরও বেশি কর্মীকে বরখাস্ত করেছে।
রয়টার্স জানায়, বরখাস্ত হওয়া কর্মীদের মধ্যে অনেকেই চাকরিতে এক বছরেরও কম সময় কাটিয়েছেন এবং যাদের চাকরির সুরক্ষা কম ছিল, তারা এই তালিকায় রয়েছেন। এছাড়া, প্রায় ৭৫ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প সরকারের খরচ ও অপচয়ের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, সরকারের ৩৬ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণ রয়েছে এবং গত বছর ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার ঘাটতি ছিল, যা সংস্কারের দাবি জানাচ্ছে।
এই পদক্ষেপের মধ্যে ট্রাম্পের কিছু সহযোগী, যেমন হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলসও হতাশা প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করছেন, ইলন মাস্কের প্রচেষ্টার গতি ও সমন্বয়ের অভাবের কারণে পরিকল্পনাগুলোর বাস্তবায়ন বিলম্বিত হয়েছে।
তবে, কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন যে, তিনি সংবিধান প্রদত্ত ফেডারেল ব্যয় সম্পর্কিত আইনসভায় কর্তৃত্ব লঙ্ঘন করছেন। এর আগে, ট্রাম্প তার শপথ নেওয়ার প্রথম দিনেই শতাধিক নির্বাহী আদেশে সই করে এক রকম ঝড় তুলেছিলেন এবং ওইদিন থেকেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সকল বিদেশি সাহায্য স্থগিত করার ঘোষণা দেয়।











