সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে হয়নি শুনানি

অনলাইন ডেস্ক:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে নিয়োগের জন্য ৬ হাজার ৫৩১ জনের চূড়ান্ত ফলাফল বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত চেয়ে করা আবেদনটির ওপর আজ কোনো শুনানি হয়নি। আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক চেম্বার জজ আদালত আবেদনকারীর সময়ের অনুরোধে শুনানি মুলতবি করে আগামী মঙ্গলবার শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে নিয়োগের জন্য ৬ হাজার ৫৩১ জনের চূড়ান্ত ফলাফল বাতিল ঘোষণা করেছিলেন। হাইকোর্টের রায়ে ফলাফল বাতিল এবং নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য নিয়োগপত্র ইস্যু করার সিদ্ধান্তকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হয়। এছাড়া মেধার ভিত্তিতে গত বছরের ২৩ জুলাইয়ের পরিপত্র অনুসরণ করে নতুন করে ফলাফল প্রকাশের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩১ প্রার্থী নিয়োগ বঞ্চিত হয়ে হাইকোর্টে রিট করেন এবং ১৯ নভেম্বর আদালত রুল জারি করে ৩১ অক্টোবর ও ১১ নভেম্বরের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে। এই রুলের পরিপ্রেক্ষিতে ৬ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত রায় দেওয়া হয়, যার বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আপিল বিভাগে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করে।

গতকাল আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা ছিল, তবে আবেদনকারীর পক্ষ থেকে সময়ের আরজি জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আগামী মঙ্গলবার শুনানি রাখার জন্য এক দিনের সময় মঞ্জুর করেন। এ সময় আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

২০২৩ সালের ১৪ জুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর পর ৩১ অক্টোবর নির্বাচিত ৬ হাজার ৫৩১ জনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং ১১ নভেম্বরের আদেশ অনুযায়ী ২০ নভেম্বর নিয়োগপত্র ইস্যু করার কথা ছিল। তবে কোটা অনুসরণের অভিযোগ তুলে ৩১ প্রার্থী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ রুল জারি করেন।