অনলাইন ডেস্ক:
রাশিয়ার চালানো ব্যাপক ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একটি পাঁচ বছর বয়সী শিশু রয়েছে। এছাড়া, হামলায় আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। এই হামলার ফলে কিয়েভ শহরের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, বেশ কিছু বহুতল ভবনে আগুন ধরে গেছে এবং অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।
গতকাল রোববার ইউক্রেনের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো হামলাটি ‘কিয়েভে শত্রুর ব্যাপক ড্রোন হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে জানান, জরুরি সেবা কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া রাতভর ১৪৭টি ড্রোন হামলা চালায়, যার মধ্যে ৯৭টি ড্রোন প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে, কিন্তু ২৫টি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে ব্যর্থ হয়েছে।
ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা বিভাগ জানিয়েছে, কিয়েভের হোলোসিভস্কি জেলায় ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে এক শিশু এবং এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ থেকে আগুন ধরে ডনিপ্রোভস্কি জেলায় এক নারী নিহত হন। কিয়েভের আঞ্চলিক গভর্নর মাইকোলা কালাশনিক জানিয়েছেন, রাজধানীর আশপাশে বেশ কিছু বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দুজন আহত হয়েছেন।
এ হামলার পর, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার ওপর আরও চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে রুশ বাহিনী ১,৫৮০টিরও বেশি নিয়ন্ত্রিত বোমা, প্রায় ১,১০০টি আক্রমণাত্মক ড্রোন এবং ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। জেলেনস্কি বলেন, ‘মস্কোর ওপর আরও চাপ প্রয়োগ করতে হবে যাতে তারা এসব হামলা এবং যুদ্ধ বন্ধ করে।’
এদিকে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে, উভয় দেশই দাবি করেছে যে তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে না।











