অনলাইন ডেস্ক:
চীনের তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও, যুক্তরাষ্ট্র গত শনিবার তাইওয়ানে সামরিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণের জন্য ৫৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত সহায়তা অনুমোদন করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘোষণার পর দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ থেকে বিরত থাকার সতর্কতা দিয়েছে।
এদিন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৫৭ কোটি ১০ লাখ ডলারের নতুন সহায়তার অনুমোদন দেন, যা আগের ঘোষিত ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলারের সহায়তার ওপর বাড়তি। এই সহায়তাগুলোর মাধ্যমে তাইওয়ানের আত্মরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চীনের হুমকি প্রতিহত করা লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
এদিকে, চীন তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে, সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি ও স্থিতিশীলতা ব্যাহতকারী ‘বিপজ্জনক পদক্ষেপ’ বন্ধ করতে হবে।
তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সহায়তাগুলোর স্বাগত জানিয়ে এক্স (পূর্ববর্তী টুইটার) সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে জানায়, এটি তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতি মার্কিন সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। চলতি বছর অক্টোবরে, যুক্তরাষ্ট্র ২০০ কোটি ডলারের সমমূল্যের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়, যা চীনের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে।
চীন, তাইওয়ানের আশেপাশে সামরিক মহড়া চালিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং গত মাসে চলমান সামরিক কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য তাইওয়ান দাবি জানায়। তারা জানায়, চীনের সামরিক কার্যক্রম আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ন করছে।
এদিকে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মেয়াদকালে, যদি চীন তাইওয়ানে হামলা চালায়, তবে তাইওয়ানের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, চীনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা পেতে তাইওয়ানের উচিত যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ প্রদান করা।











