নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যদি কোনো প্রতিবেশী দেশ—উল্লেখ্য তিনি ভারত—স্বৈরাচারকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের বিরাগভাজন হয়, তাহলে বিএনপির কিছু করার থাকবে না; এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে দেশের মানুষকে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বিবিসি বাংলার সঙ্গে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে।
বিবিসি বাংলার প্রশ্নে — পাঁচ আগস্টের পরে এবং শেখ হাসিনার দিল্লি যাওয়ার প্রেক্ষিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক শীতল হয়ে ওঠার কথা উল্লেখ করে — কি সরকারে এলে সম্পর্ক পরিবর্তনের উদ্যোগ নেবেন কি না, তারেক জানান, যদি তারা (ভারত) স্বৈরাচারকে আশ্রয় দিচ্ছে এবং তাই বাংলাদেশের মানুষের বিরাগভাজন হচ্ছে, তাহলে মানুষের সিদ্ধান্ত মেনে চলাই তাদের অবস্থান হবে। তিনি বলেন, “এখানে তো আমাদের কিছু করার নেই। আমাকে আমার দেশের মানুষের সঙ্গেই থাকতে হবে।”
ভারতের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নীতি সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তারেক বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে সকল প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক নির্ধারণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়া হবে। তাঁর ভাষ্য, “সবার আগে বাংলাদেশ। এখানে কোনো নির্দিষ্ট দেশের কথা নয়—বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশ, আমার দেশের মানুষের স্বার্থই আমি আগে দেখব।”
সাক্ষাৎকারে পানির ভাগ-বণ্টন ও সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের মতো বিষয়ও উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “অবশ্যই আমি আমার পানির হিস্যা চাই… আমার দেশের মানুষের ওপর আঘাত হলে আমরা সেটি মেনে নেব না।” তিনি বলেন এসব উদাহরণ দিয়ে বোঝাতে চেয়েছেন যে, দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে বিএনপি ও সে মাপকাঠি বজায় থাকবে।











