অভিবাসন নীতিতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার তার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি এবং আশ্রয়দান সংক্রান্ত নতুন কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে সেনা পাঠানো হবে এবং তিনি জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল করার পদক্ষেপ নেবেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দক্ষিণ সীমান্তে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন এবং এক সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তির মার্কিন নাগরিকত্বের অধিকার বাতিল করার বিতর্কিত আদেশ ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “এটি একটি বড় বিষয়,” তবে এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ আসার সম্ভাবনাও তিনি স্বীকার করেন।

ট্রাম্প আরও জানান, “আইনি অভিবাসন আমার পছন্দ। আমাদের লোক দরকার এবং আমি এতে একেবারেই রাজি। তবে, আমাদের আইনি অভিবাসন থাকতে হবে,” বলেন তিনি।

এদিকে, ট্রাম্পের প্রথম কার্যক্রমের মধ্যে একটি ছিল আশ্রয়প্রার্থীদের অভিবাসন প্রক্রিয়া সাহায্য করার জন্য চালু করা একটি অ্যাপ বন্ধ করা, যা ইতিমধ্যে ৩০ হাজার মানুষের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণ করেছিল। এই অ্যাপটি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন চলাকালীন চালু হয়েছিল।

ট্রাম্পের প্রধান উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা দেন যে, “যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য আগ্রহী সকল অবৈধ অভিবাসীদের এখনই ফিরে যাওয়া উচিত। অনুমোদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী যে কেউ বিচার এবং বহিষ্কারের মুখোমুখি হবেন।”

মার্কিন-মেক্সিকান সীমান্তে বর্তমানে হতাশা এবং অস্থিরতা চলছে। কিউবা থেকে আসা ২৭ বছর বয়সী ইয়াইমে পেরেজ বলেন, “যেহেতু আমরা এখানে আছি, দয়া করে আমাদের প্রবেশ করতে দিন, যাতে আমরা আমাদের জীবনে উন্নতি করতে পারি।”

এভাবে, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন অভিবাসন নীতির আওতায় মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে নানা কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা শুরু হয়েছে।