অনলাইন ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্র ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহার করবে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যে সংস্থাটিকে একটি চিঠি পাঠিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
ডব্লিউএইচও থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সংস্থার নিয়ম অনুসারে এক বছরের নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক। ট্রাম্প প্রশাসন সেই নিয়ম মেনেই ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি জাতিসংঘকে চিঠি পাঠায়, যা ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি কার্যকর হবে। ট্রাম্প একাধিক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার পর, এর মধ্যে একটি ছিল ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সদস্যপদ প্রত্যাহারের ঘোষণা।
ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার ফলে সংস্থাটি তাদের অন্যতম প্রধান আর্থিক সহায়তাকারীকে হারাবে। বর্তমানে, ডব্লিউএইচওর মোট বাজেটের প্রায় ১৮ শতাংশ অর্থায়ন করে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত যক্ষ্মা, এইচআইভি/এইডস এবং বৈশ্বিক মহামারির মতো সংকট মোকাবিলায় সংস্থার সক্ষমতায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
জাতিসংঘের উপমুখপাত্র ফারহান হক এক বিবৃতিতে জানান, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সদস্যপদ প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক চিঠি আমরা পেয়েছি। নিয়ম অনুযায়ী, এটি আগামী বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হবে।”
উল্লেখ্য, করোনা মহামারি চলাকালীন ২০২০ সালের জুলাই মাসে ট্রাম্প প্রথমবার ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সদস্যপদ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেন। তবে ২০২১ সালে জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করেন। কিন্তু দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে ট্রাম্প পুনরায় ডব্লিউএইচও ছাড়ার চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিলেন।











