অনলাইন ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজাবাসীদের জর্ডানে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে তারা শান্তিতে বসবাস করতে পারেন। তিনি বলেছেন, “গাজা এখন প্রায় ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে, সেখানে সবকিছুই ধ্বংস হয়ে গেছে।” গত শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প আরো জানান, তিনি জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সাথে কথা বলেছেন যাতে তারা গাজার ১০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনিকে আশ্রয় দেয়। তিনি বলেছেন, “আমি বাদশাহকে বলেছি, আমি চাই আপনি আরও (ফিলিস্তিনি) গ্রহণ করুন, কারণ গাজার পুরো এলাকা এখন এক বিশাল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জর্ডানে ২৩ লাখ ৯০ হাজারের বেশি নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থী রয়েছেন, এবং বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫৯ লাখ ফিলিস্তিনি শরণার্থী রয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার সময় সেখান থেকে পালিয়ে আসা লোকদের বংশধর।
ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, তিনি মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সাথে কথা বলবেন, যাতে মিশরও গাজার ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় দিতে এগিয়ে আসে। গাজায় ইসরাইলি হামলায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হওয়ার পাশাপাশি, অধিকাংশ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। জাতিসংঘের তথ্যে বলা হয়েছে, গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ ভবন, স্কুল এবং হাসপাতাল ধ্বংস হয়ে গেছে এবং ৯২ শতাংশ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া, ট্রাম্পের এই মন্তব্য মার্কিন পররাষ্ট্র নীতির দীর্ঘদিনের অবস্থানের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ, কারণ যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনের জন্য দুই রাষ্ট্রের সমাধান প্রস্তাব করে এসেছে।











