নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শনিবার সকালে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম ফাউন্ডেশনের তৃতীয় ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে বললেন, “প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে মেধাভিত্তিক দক্ষ ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।”
তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার মেধানির্ভর, আত্মবিশ্বাসী, সৃজনশীল ও দায়িত্ববান মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।”
তারেক রহমান বলেন, একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে আমলাতন্ত্রকে আরও জনমুখী হতে হবে। জনগণের সেবক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এসময় জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের চেতনা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ একটি জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক এবং জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার প্রত্যাশায় ছিল। বর্তমান সরকার সেই আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ এবং জনগণের কাছে আমরা যেই প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছি, এসব স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয় বরং জনগণের সঙ্গে করা আমাদের চুক্তি। জনগণ আমাদের ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা, প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিয়ামের প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত অগ্রযাত্রার দিন তারিখগুলো প্রমাণ করে দেশ এবং জনগণের স্বার্থে বিএনপি সরকার বরাবরই একটি সুদক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনপ্রশাসন দেখতে চেয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেখতে চায়। সুতরাং আজ বিয়াম ফাউন্ডেশনের ট্রেনিং কাম ডরমিটরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কেবল একটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নয় বরং এটি প্রশাসনিক সক্ষমতার উন্নয়ন, প্রশাসনিক নেতৃত্ব গঠন এবং মানবসম্পদ বিকাশের একটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
বিয়াম ফাউন্ডেশনের ভূমিকার প্রশংসা করে তারেক রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এর অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে যে বিএনপি সরকার বরাবরই দেশ ও জনগণের স্বার্থে একটি সুদক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনপ্রশাসন দেখতে চেয়েছে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি বিয়াম ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।











