অনলাইন ডেস্ক:
নয়াদিল্লিতে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সম্মেলন, যা অনুষ্ঠিত হবে ১৯ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা, বেড়া নির্মাণ এবং সীমান্ত অপরাধ রোধসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হবে। এটি বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৫তম সম্মেলন, যেখানে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসবে।
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করায় সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিজিবি বেড়া নির্মাণে বাধা দেওয়ার পর উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে তীব্র বিতর্ক ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ভারতকে উদ্বেগ জানিয়ে হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে ডেকে আনে।
এ সম্মেলনে সীমান্তে বেড়া নির্মাণ, বেসামরিক লোকদের ওপর হামলা, সীমান্ত হত্যা বন্ধের উদ্যোগ এবং মাদকের কারবার রোধে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। বাংলাদেশের স্থল সীমান্তরেখার ৪,২৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের ৯৪ শতাংশই ভারতের সঙ্গে।
এছাড়া, গত আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই প্রথম বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিজিবি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, এবং বিএসএফের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেবেন মহাপরিচালক (ডিজি) দলজিৎ সিং চৌধুরী।
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, এবারের সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা, ১৫০ গজের মধ্যে স্থাপনা নির্মাণ, নদী সমস্যা এবং সীমান্তের অন্যান্য বিষয় নিয়ে অতীতের তুলনায় “ভিন্ন সুরে” আলোচনা হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেবে না।











