Tuesday, May 26, 2026
25 C
Dhaka
Tuesday, May 26, 2026

মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরশায়িত হলেন এ এফ হাসান আরিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাতীয় পর্যায়ে শোকের মধ্যে দিয়ে প্রয়াত হলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। এ সময় তার সন্তান মুয়াজ আরিফসহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, হাসান আরিফের মৃত্যুতে আজ দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় শোক পালন উপলক্ষে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও তার আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

কুয়াশায় ৭ ঘন্টাপর ফেরি চলাচল শুরু

ফাইল ছবি

জেলা প্রতিনিধি :

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া এবং আরিচা ও পাবনার কাজিরহাট নৌপথে রবিবার রাতে ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রবিবার (২২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত থেকে ফেরি, লঞ্চসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ছিল, এবং মাঝ নদীতে আটকা পড়া চারটি ফেরিতে শতাধিক যাত্রী ও চালকসহ কয়েকশ মানুষ দুর্ভোগে পড়েন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় জানায়, রবিবার রাত থেকে পদ্মা ও যমুনা নদী অববাহিকায় কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে থাকে। রাত ১২টা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে, ফলে মাঝ নদীতে আটকা পড়ে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ রহুল আমিন, শাহ পরান, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান এবং ইউটিলিটি ফেরি কপোতী।

পাটুরিয়া ঘাটের ৩ নম্বর ঘাটে কেটাইপ ফেরি কুমিল্লা, ইউটিলিটি ফেরি বনলতা, ৫ নম্বর ঘাটে হাসনা হেনা, রো রো ফেরি ভাষা সৈনিক গোলাম মাওলা ও কেরামত আলী নোঙর করে। একইভাবে, দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ঘাটে কেটাইপ ফেরি বাইগার এবং ৭ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নোঙর করতে বাধ্য হয়। ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় শতাধিক যানবাহন দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় অপেক্ষা করতে থাকে।

আরিচা ও কাজিরহাট নৌপথেও রবিবার রাত ১টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মাঝ নদীতে আটকা পড়ে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ হামীদুর রহমান এবং কেটাইপ ফেরি ধানসিড়ি। তবে প্রায় ৬ ঘণ্টা পর কুয়াশা কেটে গেলে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

রবিবার সকালেও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে কুয়াশার কারণে দুই নৌপথে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। কুয়াশা কেটে গেলে, সোমবার সকাল ৭টার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) নাসির মোহাম্মদ চৌধুরী জানান, কুয়াশার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। ৭ ঘণ্টা পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে এবং ৬ ঘণ্টা পর আরিচা-কাজিরহাট রুটে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

ডিসেম্বর শেষ না হতেই রেমিট্যান্সে জোয়ার

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথম ২১ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে ২০০ কোটি ৭২ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা গড়পড়তায় প্রতিদিন প্রায় ৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। রবিবার (২২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি ডিসেম্বর মাসের প্রথম ২১ দিনে মোট ২০০ কোটি ৭২ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। গত নভেম্বরে একই সময়ের মধ্যে এসেছিল ১৫৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার, আর অক্টোবর মাসে এসেছিল ১৫৭ কোটি ২৯ লাখ ডলার। ডিসেম্বরে প্রথম তিন সপ্তাহে রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের মাসগুলির তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডিসেম্বরের প্রথম তিন সপ্তাহে রেমিট্যান্সের উৎস ছিল বিভিন্ন ব্যাংক থেকে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬১ কোটি ৩১ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৭ কোটি ৭৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৩১ কোটি ১৬ লাখ ২০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ১৫ থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৬২ কোটি ৫৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার, ৮ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এসেছে ৭৬ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার ডলার এবং ডিসেম্বের প্রথম সপ্তাহে রেমিট্যান্স ছিল ৬১ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

প্রসঙ্গত, গত জুনে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসার পর জুলাই মাসে প্রবাসী আয় কমে দাঁড়ায় ১৯১ কোটি ডলারে, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম ছিল। তবে আগস্টে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ডলার এবং সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে ২১৯ কোটি ৯৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

হাসিনা ও জয়ের বিরুদ্ধে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক এবং যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে। গতকাল রোববার দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সূত্র জানিয়েছে, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে দেশে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এর আগে, ৯টি প্রকল্পে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়, শেখ রেহানা এবং তার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

১৭ ডিসেম্বর থেকে তাদের বিরুদ্ধে এই অনুসন্ধান শুরু হয়। দুদক জানায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পে এসব অনিয়ম এবং দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে।

নাহিদ ইসলামের সাথে রাহাত ফাতেহ আলী খানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পাকিস্তানের বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী রাহাত ফাতেহ আলী খান।

আজ রোববার সচিবালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতকালে উপদেষ্টা বলেন, রাহাত ফাতেহ আলী খান একজন গুণী ব্যক্তি। তিনি শুধু পাকিস্তানের নন, তিনি উপমহাদেশ তথা সারাবিশ্বের সংগীত জগতের সম্পদ। বাংলাদেশে তার অনেক ভক্ত রয়েছে।

শনিবার ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে কনসার্টের জন্য রাহাত ফাতেহ আলীকে ধন্যবাদ জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর এ ধরনের একটি কনসার্ট আয়োজনের প্রয়োজন ছিল।

সাক্ষাতকালে রাহাত ফাতেহ আলী খান বাংলাদেশের সংগীত নিয়ে একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক উন্নয়নেও কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশে আমন্ত্রণের জন্য তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

সাক্ষাতকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ ওয়াসিফ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

—–বাসস

বিসিসির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) শর্ত ভঙ্গ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হস্তান্তর করায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের সঙ্গে করা চুক্তি বাতিল করেছে।

রবিবার (২২ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর এ বিষয়ে তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন থেকে এনআইডির তথ্য-উপাত্ত যাচাই সেবা গ্রহণকারী সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৮৩টি। এর মধ্যে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) একটি।”

হুমায়ুন কবীর আরও জানান, “২০২২ সালের ৪ অক্টোবর নিবন্ধনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিসিসির দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির শর্তানুযায়ী, বিসিসিকে কমিশনের তথ্য-উপাত্ত কোনো অবস্থাতেই অন্য কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা পক্ষকে হস্তান্তর, বিনিময় বা বিক্রয় করতে নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু বিসিসি এই শর্ত লঙ্ঘন করেছে।”

তিনি বলেন, “এ বিষয়ে ৩ সেপ্টেম্বর বিসিসির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা কোনো জবাব দেয়নি। পরে ৬ অক্টোবর আরও একটি চিঠি দেওয়া হয়, যাতে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়েছিল। তবে, বিসিসির দেওয়া জবাব কমিশনের কাছে সন্তোষজনক হয়নি।”

এছাড়া, চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে ফি বা চার্জ পরিশোধ না করায় চুক্তি বাতিলযোগ্য ছিল, যা কমিশন বিবেচনা করেছে। এর ফলস্বরূপ, গত শুক্রবার নির্বাচন কমিশন বিসিসির সঙ্গে থাকা চুক্তিটি বাতিল করেছে এবং তাদের দেওয়া এপিআই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

এছাড়া, বিসিসিকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, ১৫ দিনের মধ্যে তাদের সব পাওনা পরিশোধ করতে হবে।

মূল্যস্ফীতি: আয় ও ব্যয়ের গভীর বৈষম্যে সাধারণ মানুষ

মো: সাকিক হারুন ভূঁইয়া :

বাংলাদেশে নিত্যপণ্যের দাম অবিরাম বেড়েই চলেছে, আর এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়। গত নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, এবং শহরের খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশে পৌঁছেছে। কিন্তু মানুষের মজুরি বাড়ার হার এই পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বৃদ্ধি পায়নি, গত বছর মজুরি বেড়েছে মাত্র ৮ দশমিক ১০ শতাংশ। এর ফলে আয় এবং ব্যয়ের মধ্যে গভীর বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে, আর সাধারণ মানুষ দিন দিন আরও বেশি আর্থিক চাপের মধ্যে পড়ছে।

গত নভেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যা অক্টোবরে ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। একইভাবে, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশে পৌঁছেছে। খাদ্যপণ্যের উৎপাদন এবং সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকার পরও বাজার ব্যবস্থাপনায় ত্রুটির কারণে দাম কমছে না। বাজারে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, আর সরকারের তেমন কার্যকর পদক্ষেপের অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির হার বাড়লেও অনেক দেশ ঋণের সুদের হার বাড়িয়ে এবং অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির হার এখনও ঊর্ধ্বমুখী। জুলাই থেকে শুরু হয়ে আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসে কিছুটা কমলেও, অক্টোবর থেকে তা আবার বাড়তে থাকে এবং নভেম্বরে তা আরও বৃদ্ধি পায়।

গ্রামে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়লেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দাম কিছুটা কমেছে, কারণ গ্রামাঞ্চলের মানুষ খাদ্যবহির্ভূত পণ্য কম ব্যবহার করে। শহরাঞ্চলে যদিও খাদ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দাম উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে।

সরকারের বাজার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া পদক্ষেপগুলো খুব একটা কার্যকর হয়নি। সরকার যদি বাজার ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত ত্রুটিগুলি চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তাহলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, মূল্যস্ফীতির হার ধীরে ধীরে কমবে এবং আগামী জুন মাসের মধ্যে এটি ৭ শতাংশে নেমে আসবে। অন্যদিকে, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি বলেছেন, খাদ্য উৎপাদনে সমস্যা ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দাম বেড়েছে, কিন্তু শিগগিরই তা নিয়ন্ত্রণে আসবে।

সামগ্রিকভাবে, বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক এবং সাধারণ মানুষের জীবনে এক বড় সংকটের সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সংস্কারে ১,১০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিবে বিশ্বব্যাংক ও এডিবি

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতে ৫০০ ও ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের দুটি বাজেট সহায়তা অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। আশা করা হচ্ছে, এই বাজেট সহায়তা চলতি ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ সরকারের কাছে পৌঁছাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রবিবার (২২ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাংক বাজেট সহায়তার পাশাপাশি বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতে ৩৭৯ মিলিয়ন এবং চট্টগ্রামে পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নে ২৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রকল্প সহায়তাও অনুমোদন করেছে।

বিশ্বব্যাংক গত ১৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকারের জন্য ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেট সহায়তার অনুমোদন দেয়। ‘সেকেন্ড বাংলাদেশ গ্রিন অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ডেভেলপমেন্ট ক্রেডিট’ এর আওতায় এই বাজেট সহায়তা প্রদান করা হয়, যা বাংলাদেশে সবুজ ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়ন কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

এছাড়া, ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার ও এডিবি একটি ঋণচুক্তি সই করে, যার অধীনে ‘স্ট্রেংদেনিং ইকোনমিক ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড গভর্ন্যান্স প্রোগ্রাম, সাব-প্রোগ্রাম ১’ শীর্ষক কর্মসূচির জন্য ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

 

 

স্থায়ী ক্যাম্পাস ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে সড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর বনানী-কাকলী মোড়ে সড়ক অবরোধ করে দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ এবং ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ।

বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশিকুর রহমান জানান, রবিবার বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন। এর ফলে ওই এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তাদের স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরের কথা বলা হলেও এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি। তাদের দুটি বিভাগ ডিসেম্বরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিফট করার কথা থাকলেও, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টি ৩০০ ফুট জমি বিক্রি করার চেষ্টা করছে। এছাড়া, প্রতি মাসে বোর্ড সদস্যরা তাদের গাড়ির খরচ হিসেবে ৬৫ হাজার টাকা নিচ্ছেন, যা শিক্ষার্থীদের টাকা থেকে আসছে।

তারা আরও জানান, পূর্ববর্তী সময়ে সিনিয়ররা স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে আন্দোলন করলেও আজও তাদের ক্যাম্পাসে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া, কিছু বোর্ড সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, যা তারা ফেরত চান।

বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল সারোয়ার সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষার্থীরা গতকালও বনানীতে রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। আজও তারা একই দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফাইনালে বাংলাদেশকে ৪১ রানে হারিয়ে শিরোপা জয় ভারতের

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশকে ৪১ রানে পরাজিত করে  এসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ প্রমীলা এশিয়া কাপের শিরোপা অর্জন করেছে ভারতের মেয়েরা। কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ১১৭ রান করে। জবাবে, ১১৮ রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ৭৬ রানেই থেমে যায়।

বাংলাদেশ টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ রান আসে গঙ্গাদি তৃষার ব্যাট থেকে। তিনি ৪৭ বল খেলে ৫২ রান করেন, যেখানে ছিল ৫টি চার ও ২টি ছক্কা। অন্যদিকে, মিথিলা বিনোদ ১২ বল খেলে ১৭ রান, অধিনায়ক নিকি প্রসাদ ২১ বল খেলে ১২ রান, এবং আয়ুশি শুকলা ১৩ বল খেলে ১০ রান করেন। ভারতের ইনিংসে অতিরিক্ত খাতে ১০ রান আসে।

বাংলাদেশের বোলিংয়ে ফারজানা ইয়াসমিন চারতি ২টি, নিশিতা আক্তার নিশি ২টি এবং হাবিবা ইসলাম ১টি উইকেট শিকার করেন।

১১৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল শক্তিশালী। কিন্তু মোসাম্মৎ ইভা দ্রুত আউট হয়ে গেলে চাপ বাড়ে। এরপর ফাহমিদা ছোঁয়া ২৪ বল খেলে ১৮ রান করে বিদায় নেন। জুয়াইরিয়া ফেরদৌস একাই প্রতিরোধ গড়তে চেষ্টা করেন, ৩০ বল খেলে ২২ রান করেন তিনি। কিন্তু তার পরের ব্যাটাররা কেউই রানের বহর বাড়াতে পারেননি। ১০ ব্যাটারের মধ্যে ৮ জনই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। অবশেষে ১৮.৩ ওভারে ৭৬ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।

সর্বশেষ খবর

শাহরুখের কিং সিনেমায় দেখা যাবে রণবীরকে!

0
অনলাইন ডেস্ক: বলিউডে এখন নতুন গুঞ্জন শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘কিং’ এ বিশেষ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে রণবীর সিংকে। যদিও...