অনলাইন ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১৭০ জনের বেশি। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (১ জুন) ভোররাতে, বিশ্বব্যাপী তীব্র নিন্দার ঝড় তুলেছে এই হামলা।
স্থানীয় সময় রবিবার ভোরে একদল সাধারণ মানুষ একটি সহায়তা কেন্দ্রে খাবার নিতে যাচ্ছিলেন। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সহায়তা কেন্দ্র থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরেই জনতার ওপর গুলি চালানো হয়।
এই সহায়তা কেন্দ্রটি পরিচালিত হচ্ছিল একটি ইসরায়েল-সমর্থিত সংস্থার মাধ্যমে। তবে হামলার সময় বেসামরিকদের লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়েছে কিনা, তা নিয়ে রয়েছে মতবিরোধ।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা জনাকীর্ণ সহায়তা কেন্দ্র বা তার আশপাশে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে কোনো গুলি চালায়নি। বরং রাতে তাদের দিকে এগিয়ে আসা কিছু ‘সন্দেহভাজন’ ব্যক্তির ওপর সতর্কীকরণ গুলি চালানো হয়েছিল।
পরবর্তীতে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে একটি ড্রোন ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে কিছু মুখোশধারী ও সশস্ত্র ব্যক্তি বেসামরিক জনতার ওপর গুলি চালাচ্ছেন বলে দেখা যায়। তবে বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, ভিডিওটির সত্যতা তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর জাতিসংঘ, বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে। অনেকেই বিষয়টিকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখছেন।
গাজায় চলমান যুদ্ধের কারণে খাদ্য, ওষুধ ও মানবিক সহায়তার চরম ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সহায়তা কেন্দ্রে প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ খাবার সংগ্রহে আসছেন। এমন সময় এই হামলা, গাজার মানবিক সংকটকে আরও গভীরতর করেছে।











