গ্রিনল্যান্ডে ভোট গ্রহণ শুরু, ট্রাম্পের মন্তব্যে বিতর্কের সৃষ্টি

অনলাইন ডেস্ক:

গ্রিনল্যান্ডে শুরু হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন, যেখানে দ্বীপটির বড় অংশের জনগণ ডেনমার্ক থেকে পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানাচ্ছে। এই নির্বাচন স্বাধীনতার পক্ষে শক্তিশালী জনমত গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে, এমনটি আশা করছেন অনেক গ্রিনল্যান্ডবাসী। ৩১ আসনের জন্য এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা আর্কটিক অঞ্চলের ভবিষ্যতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য নির্বাচনে একটি ব্যতিক্রমী প্রভাব ফেলেছে। তিনি ‘যেকোনোভাবে হোক’ গ্রিনল্যান্ডকে নিজের অধীনে আনতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। গত রোববার, তিনি সামাজিক নেটওয়ার্ক ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ একটি পোস্ট দিয়ে গ্রিনল্যান্ডবাসীদের আমেরিকার অংশ হওয়ার আমন্ত্রণ জানান এবং তাদের ধনী করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এতসবের মধ্যেও, ট্রাম্পের এই বক্তব্যে গ্রিনল্যান্ডবাসীরা বিরোধিতা করেছেন। জানুয়ারির একটি জরিপে দেখা যায়, ৮৫ শতাংশ গ্রিনল্যান্ডবাসী ট্রাম্পের এই ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ৫৮ বছর বয়সী জাহাজ মেরামতকারী রেনে ওলসেন বলেন, “আমরা আমেরিকান হতে চাই না।” এর ফলে, নির্বাচনে ট্রাম্পের বক্তব্য এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী মুট এগেডে ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘অপ্রত্যাশিত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ডেনমার্কের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলমান রয়েছে এবং ট্রাম্পের মন্তব্য সেই বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে।

এই নির্বাচনের ফলে গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক ভবিষ্যত এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে, যা বিশ্বের নজর কাড়ছে।