নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদের ক্ষমতাচ্যুতির পর একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সিরীয়দের নেতৃত্বে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত এক বিবৃতিতে পরিষদ জানিয়েছে, সিরিয়ার জনগণকে তাদের ভবিষ্যত নির্ধারণের সুযোগ দিতে হবে।
গত ৮ ডিসেম্বর হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীরা সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক দখল করে, যার ফলে আসাদের দীর্ঘদিনের শাসনের অবসান ঘটে।
নিরাপত্তা পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, “এই রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সিরিয়ার সকল নাগরিকের বৈধ আকাঙ্খা পূর্ণ করতে সহায়তা করবে এবং তাদের শান্তিপূর্ণ, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিকভাবে নিজেদের ভবিষ্যত নির্ধারণে সহায়তা করবে।” পাশাপাশি, সিরিয়া এবং এর প্রতিবেশীদের কাছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন হতে পারে এমন কোনও পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আসাদ সরকারের মিত্র দেশ রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, ঐক্য এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং এই নীতিগুলো সম্মান করার জন্য সব দেশের প্রতি আহ্বান জানান।
জাতিসংঘের সিরিয়া-বিষয়ক বিশেষ দূত গেইর পেডারসেন ইসরায়েলের জন্য নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার গোলান উচ্চভূমিতে বসতি স্থাপনের কার্যক্রম বন্ধ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সিরিয়ার পুনর্গঠনে সাহায্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞার অবসান একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।
এছাড়া, আসাদ সরকারের পতনের পরও সংঘাত অব্যাহত রয়েছে, বিশেষত উত্তরে তুর্কি-সমর্থিত এবং কুর্দি গোষ্ঠীটির মধ্যে চলমান সংঘর্ষ পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে, যা সিরিয়ার ভবিষ্যতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।











