অনলাইন ডেস্ক:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ সালমান ও মো. জুনায়েদের নিয়োগ স্থগিত করার বিষয়টি কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, তাদের নিয়োগ স্থগিতের পেছনে রাজনৈতিক কারণ থাকায় বিষয়টি তদন্তের নির্দেশও দিয়েছে আদালত। হাইকোর্টের বিচারপতি ফাতেমা নজিব এবং বিচারপতি সিকদার মাহমুদুর রাজীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গতকাল এ আদেশ দেন।
এ বিষয়ে আইনজীবী আরিফুর রহমান আরিফ জানান, ২০১৬ সালে ঢাবির আরবি বিভাগে চারটি প্রভাষক পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। রিটকারীরা সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোনীত সিলেকশন বোর্ড ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ সালে তাদের ভাইভা পরীক্ষার পর চূড়ান্ত সুপারিশ করে। তবে, তামীরুল মিল্লাত মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থী হওয়ায় ছাত্রলীগের মিছিল ও প্রতিবন্ধকতার মুখে তারা যোগদান করতে পারেননি।
আইনজীবী আরও বলেন, ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ-১৯৭৩ এর আর্টিকেল ২৩(২) অমান্য করে মনোনয়ন বোর্ডের সুপারিশ ও নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করে, যা সংবিধানের পরিপন্থি। পরবর্তী সময়ে রিটকারীরা তাদের নিয়োগ স্থগিত করার কারণ জানতে চাইলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো তথ্য প্রদান করেনি এবং বিভিন্নভাবে তাদের হয়রানি করা হয়।
অবশেষে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তারা তাদের নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। আইনজীবী দাবি করেছেন, তাদের নিয়োগ স্থগিত করার পেছনে রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং তামীরুল মিল্লাতের ছাত্র হওয়া কারণ হিসেবে সামনে এসেছে।
এ বিষয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছে এবং ৩০ দিনের মধ্যে রিটকারীদের দরখাস্ত নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছে।











