তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা কমে ১৬.৫ ডিগ্রিতে, জেঁকে বসছে শীতের আমেজ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে ধীরে ধীরে নামছে পারদ। ভোরের কুয়াশা, হিমেল হাওয়া আর চারপাশের ঘন আর্দ্রতা মিলে প্রকৃতিতে এখন স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ। যদিও দিনের বেলা রোদের তেজ ভালোই থাকছে, তবে সূর্য ডুবতেই চারপাশ জুড়তে শুরু করছে কনকনে ঠান্ডায়।
রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চলতি মৌসুমের অন্যতম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে স্থানীয় বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি ছিল শতভাগ পূর্ণতায়, যা শীতের অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এর আগে গত শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৯টায় এই এলাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৭ তুলনামূলক বেশি, অর্থাৎ ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই হিসেবে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা শূন্য দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে নেমে এসেছে।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যখন রোদের দেখা মিলছে, তখন তাপমাত্রার পারদ সামান্য ওপরে উঠছে। তা সত্ত্বেও ভোরের হিমেল বাতাস আর সন্ধ্যার পর থেকে জেঁকে বসা ঠান্ডার হাত থেকে নিস্তার মিলছে না। বিশেষ করে প্রতিদিন ভোরে কাজের সন্ধানে বের হওয়া খেটে খাওয়া ও শ্রমজীবী মানুষদের হিমশীতল হাওয়া উপেক্ষা করেই নিজেদের নিত্যদিনের কর্মযজ্ঞ শুরু করতে হচ্ছে।
এদিকে আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে শনিবার পঞ্চগড়ে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের বেলা রোদের তীব্রতা বজায় থাকলেও সকালের স্নিগ্ধতা আর সন্ধ্যার শীতলতা মিলে এখন সেখানে পুরোপুরি শীতের আবহ বিরাজ করছে।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় গণমাধ্যমকে জানান, পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে নিম্নমুখী রয়েছে। এই সময়ে রাত ও ভোরের দিকে শীতের তীব্রতা একটু বেশি অনুভূত হওয়াই স্বাভাবিক। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সামনে দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে শীতের অনুভূতি আরও বেশি জেঁকে বসতে পারে।
