জেলা প্রতিনিধি :
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে হেলথকেয়ার সেন্টারের সেবার মান খুবই নিম্নমানের এবং চিকিৎসা কার্যক্রম কয়েকটি নির্দিষ্ট ওষুধের মধ্যে সীমাবদ্ধ। জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। সেখানে ডেন্টাল ইউনিট নেই, নার্সের পদ নেই এবং বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য কোনো ইউনিটও নেই। ডেন্টাল বিভাগে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি অনেক আগেই অকেজো হয়ে পড়েছে।
হেলথকেয়ার সেন্টারের পরিচ্ছন্নতা নিয়েও গুরুতর সমস্যা রয়েছে। টয়লেটগুলো অপরিচ্ছন্ন, দরজাগুলো ভাঙা, এবং হেলথকেয়ারের বাইরের এলাকায় ময়লার ভাগাড় দেখা যায়। বারান্দায় মোটরসাইকেল পার্কিং এবং লিফট বন্ধ থাকায় হাঁটা-চলার অক্ষম রোগীরা ভোগান্তিতে পড়েন।
অ্যাম্বুলেন্স সেবার ক্ষেত্রেও নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে সময়মতো অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায় না। অ্যাম্বুলেন্সগুলোর অবস্থা জরাজীর্ণ এবং সাইরেন কাজ করে না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মো. সাঈদুর রহমান (শওকত) বলেন, সেবার মান উন্নয়নে চেষ্টা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে হেলথ কার্ড চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং পরীক্ষার সংখ্যা ২৮টি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থাপনা নিয়ে পরিবহন শাখা দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকায় তারাই এটি দেখভাল করে।
ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বলেন, চিকিৎসক সংকট সমাধানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডাক্তার নিয়োগ প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হলেও ওষুধ সরবরাহের সমস্যার সমাধান খুব শিগগিরই করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের ব্যাপারেও পদক্ষেপ নিয়েছে।











