মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শনিবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে বললেন, মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না। জনগণকে সজাগ থাকতে হবে। দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে ৪০ কোটি হাতকে এক হতে হবে।

 

তারেক রহমান বলেন, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। রামিসা হত্যাকাণ্ড নিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে কেউ কেউ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যাদের কথা বলতে শুনেনি, তারা এখন সোচ্চার। তারা ৫ আগস্টের বিতারিতদের সঙ্গে তলে তলে খাতির জমিয়েছে।”

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেকোনো অন্যায়কারীর বিচার করতে হলে, তাকে শাস্তি দিতে হলে কিছু আইন-কানুন আছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। রামিসা হত্যাকাণ্ড নিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে একটি মহল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যাদের কথা বলতে শুনেনি, তারা এখন সোচ্চার। তারা ৫ আগস্টের বিতারিতদের সঙ্গে তলে তলে খাতির জমিয়েছে।

 

তারেক রহমান বলেন, অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সরকারের জনমুখী কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হবে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ। তাই যারা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, তাদের ব্যাপারে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে। সঠিক বিচারকে যারা বাধাগ্রস্ত করছে, বিভ্রান্ত করছে- তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।

 

তারেক রহমান বলেন, পত্র-পত্রিকা, সোশ্যাল মিডিয়ায় খোঁজ নিয়ে দেখেন- ৫ আগস্টে দেশের মানুষ যাদের এই দেশ থেকে বিতাড়িত করেছিল, এখন যারা অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের সঙ্গে এরা তলে তলে খাতির শুরু করেছে। যেভাবে ’৮৬-’৯৬ সালে আঁতাত করেছিল। দেশের জনগণ রাজপথে নেমে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। যে স্বৈরাচার মানুষের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার, খেটে খাওয়া মানুষের সব ধরনের উন্নয়ন বন্ধ করে দিয়েছিল। সেই স্বৈরাচারকে ছাত্র-জনতা এক হয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। এখন দেশের মানুষ তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন চায়।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে সক্রিয় করে তুলতে হবে, কাজে ব্যবহার করতে হবে। দক্ষ শ্রমিকের হাত তৈরি করতে হবে। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত দিয়ে নতুন ব্রিজ-কালভার্ট, স্কুল-কলেজ-হাসপাতাল তৈরি করতে হবে। তাহলেই আমরা এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারব।