অনলাইন ডেস্ক:
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথমদিনে স্বস্তিতে থাকলেও, দ্বিতীয়দিনে এসে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। প্রথমদিনে ৩ উইকেটে ২১৩ রান সংগ্রহ করলেও, দ্বিতীয়দিনে মাত্র ৫৯ রান যোগ করতেই বাকি ৭ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। ফলস্বরূপ, প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ২৭২ রান।
ম্যাচে বাংলাদেশের লোয়ার-মিডল অর্ডারের ব্যাটারদের অত্যন্ত হতাশাজনক পারফরম্যান্স দেখা যায়, যার জেরে মধ্যাহ্নভোজের আগেই গুটিয়ে যায় দল। এদিকে লিটন কুমার দাসও ট্রেইলএন্ডারদের রক্ষা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হন; তিনি স্ট্রাইক নিজের কাছে ধরে না রেখে বারবার নিচের সারির ব্যাটারদের এই বিষাক্ত বোলিং আক্রমণের মুখে ঠেলে দেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) থেকে মিরপুরে শুরু হওয়া এই টেস্টের প্রথমদিনটি ভালোভাবেই কাটিয়েছিল বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের তানজিদ, মমিনুল ও শান্তরা বড় কোনো ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হলেও, এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ লড়াই চালান শাদমান ইসলাম। ৯৯ রানে দিন শেষ করা শাদমানের সঙ্গী ছিলেন লিটন কুমার।
সকালে ব্যাটিংয়ে নেমে শাদমান তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট শতক তুলে নেন। তবে দিনের তৃতীয় ওভারে বিশপের বলে ১০৫ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। আগের দিন ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ হয়ে মাঠ ছাড়া তাওহিদ হৃদয় আজ পুনরায় ক্রিজে নেমেছিলেন, কিন্তু বিশপের একটি সোজা বল বুঝতে না পেরে মাত্র দুই বল পরেই বোল্ড হয়ে যান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল দ্বিতীয় নতুন বল নেওয়ার ঠিক পরপরই কেমার সিলসের একটি মারাত্মক ডেলিভারি সরাসরি লিটনের কনুইয়ে আঘাত হানলে তাকে বেশ অস্বস্তিতে পড়তে দেখা যায়। এরপর পানির বিরতির পরপরই ওয়ারিকান তার ইনিংসে তৃতীয় উইকটে হিসেবে মেহেদী হাসান মিরাজকে একটি আর্ম বলে পরাস্ত করে প্যাভিলিয়নে পাঠান।
মিরাজের বিদায়ের পর মাত্র ১৯ রানের ব্যবধানে একে একে সাজঘরে ফিরে যান নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম।
ক্যারিবিয়ান বোলারদের মধ্যে সফল ছিলেন ওয়ারিকান, যিনি একাই শিকার করেন পাঁচটি উইকেট। এছাড়া বিশপ ও জোসেফ দুটি করে এবং সিলস একটি উইকেট লাভ করেন।











