নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সরকারের নির্ধারিত সময়ের বাইরে, অর্থাৎ রাত ৯টার পর শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
রোববার (১৪ জুন) প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে ডিএসসিসি জানায়, সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের দাবি এবং ক্রেতাদের সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজধানীর শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। এই সময়সূচি যথাযথভাবে মেনে চলতে ব্যবসায়ীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধও জানানো হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমা অমান্য করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখলে বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়কে সামনে রেখে সরকার কয়েক মাস ধরেই দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার সময় নির্ধারণ করে আসছে। প্রথমদিকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালুর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পরে ব্যবসায়ীদের দাবির পর তা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা এবং পরে রাত ৮টা করা হয়। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সাময়িকভাবে এই সময়সীমায় শিথিলতাও আনা হয়েছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সুবিধা বিবেচনায় নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দোকানপাট ও শপিংমল রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতিও সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
ডিএসসিসির সর্বশেষ ঘোষণায় স্পষ্ট করা হয়েছে, নতুন সময়সূচি শুধু অনুমোদিত ব্যবসার সময় নির্ধারণই নয়, এটি বাধ্যতামূলক নির্দেশনা। ফলে নির্ধারিত সময়ের পর রাজধানীর শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ব্যবসায়ী মহলের মতে, নতুন সময়সূচি একদিকে যেমন ক্রেতাদের কেনাকাটার সুযোগ বাড়াবে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সরকারি উদ্যোগও অব্যাহত থাকবে। এখন এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তদারকির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।











