ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞাপন 📢 Google AdSense — 728 × 90 Leaderboard Placement

সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়ের কারাগারে

প্রকাশিত: 18 June 2026, 8:04 pm
ফন্ট:

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ জোবায়েরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আত্মসমর্পণ করা অপর তিন আসামি জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ছয় আসামির বিরুদ্ধে করা মামলায় সমন উপেক্ষা করায় এর আগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে চারজন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত আহমেদ জোবায়েরের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন, তবে অপর তিন আসামিকে জামিন দেন।

 

মামলাটি দায়ের করা হয় প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ এবং কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে। মামলার বাদী মোবারক হোসেনের অভিযোগ অনুযায়ী, সময় মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানা ও পরিচালনা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিশোধমূলকভাবে এই মামলা করা হয়েছে। আসামিপক্ষ আদালতে দাবি করে, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই।

 

আসামিপক্ষের আইনজীবী ফরহাদ হোসেন শুনানিতে বলেন, “এই মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং হয়রানিমূলক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে। তারা তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”

 

তবে রাষ্ট্রপক্ষের বিরোধিতা ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও সানি চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করা হয়।

 

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১০ মে আদালত আসামিদের হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির না হওয়ায় ১৭ জুন তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ওই পরোয়ানাভুক্ত অন্য দুই আসামি হলেন আহমেদ জোবায়েরের স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী এবং মেয়ে সারাফ নাওয়ার জয়ীতা।

 

ঘটনার পর আদালতে আত্মসমর্পণ করলেও শেষ পর্যন্ত জামিন পাননি সাবেক এই মিডিয়া নির্বাহী। অন্যদিকে, মামলার তিন আসামি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

 

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতে হাজির না হওয়া এবং সমন উপেক্ষার বিষয়টি অনেক সময় জামিন আবেদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।

মন্তব্য করুন