জেলা প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নে যাদুকাটা নদীর ওপর ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর শুরু হওয়া শাহ আরেফিন (র.)–অদ্বৈত মহাপ্রভু মৈত্রী সেতুর নির্মাণকাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। নির্ধারিত ৩০ মাসের কাজ পেরিয়ে গেছে সাত বছর। সেতুর গার্ডার ও স্লাবের একাংশ এখনো অসমাপ্ত। ফলে সেতুটি জেলার চারটি উপজেলার লাখো মানুষের জন্য দুর্ভোগের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা এলজিইডি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের গড়িমসি ও দফায় দফায় প্রকল্প মেয়াদ বাড়ানোয় সেতুটি এখনো স্বপ্নের মতোই রয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানায়, পূর্ণাঙ্গ সেতু চালু হলে সীমান্তবর্তী শুল্ক বন্দর, পর্যটন কেন্দ্র ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি আসতো। কিন্তু কাজের ধীরগতিতে সে সম্ভাবনা থমকে গেছে।
স্থানীয়রা বলেন, বর্ষায় নদী পার হতে ৩০ মিনিটের বেশি সময় লাগে, খরচ বাড়ে, নিরাপত্তাহীনতাও রয়েছে। ব্যবসায়ী ও পরিবহন চালকরা জানান, সেতু না থাকায় পণ্য পরিবহন ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ হয়ে পড়েছে।
বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘এটি শুধু একটি সেতু নয়, বরং পুরো অঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনীতির চেহারা বদলে দিতে পারত। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ অপেক্ষায়, কিন্তু কাজ এখনো শেষ হয়নি।’
প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ নাসির জানান, বারবার বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে কাজ বিলম্বিত হয়েছে। তবে ২০২৬ সালের মে মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার আশ্বাস দেন তিনি।
এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেনও জানান, সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।











