অনলাইন ডেস্ক:
বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান বর্তমানে একটি বড় আইনি সংকটে পড়েছেন। সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের উচ্চ আদালত পতৌদি পরিবারের ১৫ হাজার কোটি রুপির ঐতিহাসিক সম্পত্তির ওপর দেওয়া স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছে, যার ফলে সাইফের পরিবার ওই সম্পত্তি হারাতে পারে। এই সম্পত্তির মধ্যে সাইফ আলীর শৈশব কাটানো ‘ফ্ল্যাগ স্টাফ হাউজ’, ‘নূর-উস-সাবাহ প্যালেস’, ‘দার-উস-সালাম’সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিচারপতি বিবেক আগারওয়াল ‘শত্রু সম্পত্তি আইন-২০১৭’-এর সংশোধিত ধারার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন এবং এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে তাদের আপত্তি জানাতে পারবেন বলে জানিয়েছেন। এই আইন অনুযায়ী, দেশভাগের পর পাকিস্তানে চলে যাওয়া ব্যক্তিদের সম্পত্তি কেন্দ্রীয় সরকারের দখলে চলে আসে।
পতৌদি পরিবারের সম্পত্তির সাথে সম্পর্কিত ইতিহাস হলো, ভোপালের শেষ নবাব হামিদুল্লাহ খানের তিন কন্যা ছিলেন। তার ছোট মেয়ে আবিদা সুলতানা ১৯৫০ সালে পাকিস্তান চলে যান। এর পর তার দ্বিতীয় মেয়ে সাজিদা সুলতানা ভারতে থাকার কারণে ওই সম্পত্তির মালিক হন এবং নবাব ইফতিখার আলী খান পতৌদিকে বিয়ে করেন। সাইফ আলী খান সাজিদা সুলতানার নাতি হিসেবে ওই সম্পত্তির এক অংশের মালিক।
সরকার আবিদা সুলতানার পাকিস্তান চলে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে মামলা করে এবং ওই সম্পত্তিকে ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০১৯ সালে আদালত সাজিদা সুলতানাকে ওই সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে নতুন আদালত রায় এই সম্পত্তির ভবিষ্যত নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। সাইফ আলী খান ও তার পরিবারের জন্য এটি একটি বড় আইনি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।











