নিজস্ব প্রতিবেদক:
আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ সোমবার ইসির একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমরা আশা করছি, ২৫ সালের জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয়ার্ধে এ কার্যক্রম শুরু করতে পারব। ইতোমধ্যে আমরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি এবং ৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ করতে পারব।”
নতুন ভোটারদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আগামী বছরের ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং জনগণ তা দেখার সুযোগ পাবেন। যাদের নাম বাদ পড়বে, তাদের দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ২ মার্চ।
কে এম আলী নেওয়াজ আরও জানিয়েছেন, “আমরা শুধুমাত্র ২০২৫ সালের তথ্য সংগ্রহ করব না, একইসাথে ২০২৬ সালের পহেলা জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ বছর হবে, তাদের তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। তবে তারা ২০২৫ সালের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না, তবে ২০২৬ সালের ভোটার তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”
তিনি সব নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “তথ্য সংগ্রহকারীরা যখন বাড়ি বাড়ি যাবেন, তখন তাদের সঠিক তথ্য দিয়ে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য সহযোগিতা এবং মৃত ভোটারের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।”
এর আগে ২০২২ সালে সর্বশেষ বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছিল, যেখানে ২০২৩, ২০২৪, ও ২০২৫ সালের তথ্য একসঙ্গে নেওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তাদের নাম আগামী ২ জানুয়ারি প্রকাশিত খসড়া তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এছাড়া, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, “এ পর্যন্ত ১৭ লাখ তথ্য আমাদের হাতে রয়েছে এবং ২ জানুয়ারি ২০২৫ সালে তারা নতুন ভোটার হিসেবে তালিকায় যুক্ত হবেন। তবে, পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে অনেকেই অফিসে এসে নিবন্ধন সম্পন্ন করেন না। আমরা আশা করছি, আনুমানিক ২৭ থেকে ২৮ লাখ ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে।”
আবুল ফজল আরও বলেছেন, “যারা বাদ পড়েছেন, তাদের তথ্য সংগ্রহ করতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আমরা কাজ শুরু করব, এবং ২০২৫ সালে যারা ভোটার হবেন, তাদেরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে।”











