নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় চলমান রাজনৈতিক সংলাপের অংশ হিসেবে আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যেই একটি যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছাতে চায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। শহিদদের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই এ প্রয়াস বলে জানিয়েছেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
রবিবার (১৩ জুলাই) ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার ১২তম দিনে এসব কথা বলেন তিনি।
আলোচনার শুরুতে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “আমরা যদি মৌলিক বিষয়গুলোতে দ্রুত ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারি, তাহলে রাজনৈতিক সংলাপের একটি যৌক্তিক সমাপ্তি টানা এবং একটি জাতীয় সনদ প্রণয়ন সম্ভব হবে।”
তিনি আরও বলেন, “কমিশনের লক্ষ্য হচ্ছে শহিদদের প্রতি আমাদের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো। এতে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক।”
কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
আজকের আলোচনায় অংশ নেয়া ৩০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ছিল—বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টিসহ আরও অনেকে।
আজকের আলোচনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু—প্রধান বিচারপতি নিয়োগ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণা।











