অনলাইন ডেস্ক:
চট্টগ্রামের পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, চাঁদাবাজি, কাউন্টার দখল এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ না হলে তারা বৃহত্তর চট্টগ্রামে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ করে দেবেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের বিআরটিসি স্টেশন রোডে আন্তঃজেলা গণপরিবহন মালিক সমিতির হলরুমে অনুষ্ঠিত বৃহত্তর চট্টগ্রাম গণপরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ৬৬টি পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, যেখানে চাঁদাবাজি ও কাউন্টার দখল হবে, সেখানে গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ থাকবে। তারা শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। নেতারা হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি পরিস্থিতি পরিবর্তন না হয়, তবে পরিবহন সেক্টরে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি হতে পারে।
সভায় বক্তারা আরও জানান যে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বাস কাউন্টার দখল এবং চাঁদাবাজি করছে। তারা উদাহরণ হিসেবে বলেন, গত বুধবার কর্ণফুলী শাহ-আমানত ব্রিজ এলাকায় একদল চাঁদাবাজ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঈগল স্পেশাল সাভিস লিমিটেড কাউন্টার দখল করে, ফলে কাউন্টারের মালিক ও শ্রমিকরা আহত হন। তবে প্রশাসন এখনও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি কফিল উদ্দিন আহমেদ বলেন, যদি এই পরিস্থিতি চলতে থাকে, তাহলে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য দায়ী হতে পারেন না।
নেতারা জানান, তারা শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবেন। তাদের মতে, পরিবহন সেক্টরে সুরক্ষা এবং শৃঙ্খলা ফেরাতে কার্যকর পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে।
এছাড়া, সভায় ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোরশেদুল আলম কাদেরী, মৃনাল চৌধুরী, অলি আহমেদ, আহসানুল্লাহ চৌধুরী, ফারুক খান, মো. মুসা, মো. জাফর, মো. মনসুর রহমান, নুরুল ইসলাম, মো. হাবিবুর রহমান, মো. জাফর ভি.পি, মো. খোরশেদ, মো. শাহজাহান, অহিদুন নুর কাদেরী, মো. মাহবুব, মো. জাহাঙ্গীর, কামাল উদ্দিন, আলী চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আজম, জিয়া শরিফ মিজান, মো. হারুন, আনোয়ারসহ চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর দক্ষিণের ঐক্য পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।











