অনলাইন ডেস্ক:
পুলিশি নির্যাতনের পরেও বুধবার সাত দিনের আন্দোলনে অনড় অবস্থানে ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশ পাওয়া তৃতীয় ধাপের ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের প্রার্থীরা। গত মঙ্গলবার সংবাদ ব্রিফিংয়ে তারা জানিয়েছিলেন, যদি বুধবার দুপুর ১২টার মধ্যে নিয়োগ নিশ্চয়তা না পায়, তবে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
আন্দোলনের সমন্বয়ক মহিবুল্লাহ জানান, “আমরা গতকাল দুপুর ১২টার মধ্যে আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম, কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোনো সাড়া দেয়নি। আমরা আমাদের দাবি জানাতে রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি। আমরা শুধু আমাদের নিয়োগের নিশ্চয়তা চাই, আর কিছু না।”
মহিবুল্লাহ আরও বলেন, “যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনায় নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে। আমাদের কোনো দাবি ছিল না, শুধু আমাদের সুপারিশপ্রাপ্ত চাকরিতে যোগদান নিশ্চিত করুন।”
এদিন আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার তারা সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা এবং সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন, কিন্তু তাতে কোনো ফল মেলেনি। জান্নাতুল নাঈম সুইটি, তালুকদার পিয়াস, নওরীন আক্তার, শামিমা আক্তারসহ কয়েকজন প্রতিনিধি বৈঠকে অংশ নেন এবং জানিয়ে দেন, নিয়োগের নিশ্চয়তা ছাড়া আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে না।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন এই আন্দোলনকারীরা। ৬ ফেব্রুয়ারির পর পুলিশের নির্যাতনের পরও তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এর আগে, ১৯ নভেম্বর হাইকোর্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে এবং মেধার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগের নির্দেশ দেয়।
গতকালও আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, যদি ১২টার মধ্যে তাদের নিয়োগের নিশ্চয়তা না দেওয়া হয়, তবে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি নিতে বাধ্য হবেন।











