অনলাইন ডেস্ক:
সম্প্রতি বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারের একটি সাব ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন, ‘বিসিএস ইনফরমেশন এসোসিয়েশন’ এর প্রকাশিত বিবৃতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিসিএস তথ্য সাধারণ বেতার কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি। এই বিবৃতিকে অপেশাদার ও ঠুনকো বলে মন্তব্য করে সমিতি। তারা দাবি করেছে যে বিবৃতিতে আনা বিষয়গুলো একেবারে মিথ্যা এবং ভুল তথ্য প্রদান করা হয়েছে।
বিসিএস তথ্য সাধারণ বেতার কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি জানায়, সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়া যে, জনগণের সেবায় কার্যকর, তা প্রতিষ্ঠিত করতে অনেক কমিশন গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন অন্যতম। এ কমিশনের উদ্দেশ্য জনগণের জন্য আধুনিক, দলীয় লেজুরবৃত্তি বিহীন প্রশাসন গঠন করা। একাধিক কমিশন ইতোমধ্যে তাদের সংস্কার প্রস্তাব সরকারের কাছে পেশ করেছে।
কিন্তু, বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারের একটি সাব ক্যাডার পত্রিকায় প্রকাশিত বিবৃতিতে দাবি করেছে যে তথ্য-সাধারণ ক্যাডারের কাজ ‘প্রচার’ এবং বাংলাদেশ বেতারের কাজ ‘সম্প্রচার’। তবে সমিতি এই দাবি পুরোপুরি খণ্ডন করে জানায়, তথ্য-সাধারণ ক্যাডারের কর্মকর্তারা বাংলাদেশ বেতারে কন্টেন্ট তৈরি ও প্রচারের কাজ পরিচালনা করেন। তারা বলেন, প্রচার ও সম্প্রচার কার্যক্রমের মধ্যে কোনও বৈপরীত্য নেই।
এছাড়া, সমিতির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারের যোগাযোগ ও তথ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-অধিকারীদের সবার একই প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং একই সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা প্রদান করতে হয়। তাই তিনটি আলাদা গ্রুপে বিভক্ত থাকা অযৌক্তিক এবং সরকারি অর্থের অপচয়। সমিতি আরও দাবি করে, বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারের তিনটি উপ-গ্রুপের কর্মকর্তারা একই কাজ করেন, তাই তাদের একীভূত করার প্রস্তাবই যৌক্তিক।
সমিতি এই বিবৃতিতে আরও জানায়, সিভিল সার্ভিস রিফর্ম একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং সম্প্রচার ক্যাডার গঠনের প্রস্তাব কয়েকজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত মতামত ছাড়া কিছু নয়। তারা এটিকে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন, যা দেশের স্বার্থে গ্রহণ করা হচ্ছে।
বিসিএস ইনফরমেশন এসোসিয়েশন দ্বারা প্রকাশিত বিবৃতির পর, সমিতি সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়াকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে সব কর্মকর্তাকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বৃহত্তর স্বার্থে এই সংস্কারের অংশ হতে আহ্বান জানিয়েছে।











