Tuesday, May 26, 2026
25 C
Dhaka
Tuesday, May 26, 2026

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ফেরি ডুবে ৩৮ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ শতাধিক

অনলাইন ডেস্ক:

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, শতাধিক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এ ঘটনা ঘটে গত শনিবার গভীর রাতে বুসিরা নদীতে। উদ্ধারকর্মীরা এখন পর্যন্ত ২০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন।

ফেরিতে ৪০০-এরও বেশি যাত্রী ছিলেন, বেশিরভাগই ব্যবসায়ী, যারা বড়দিন উপলক্ষে বাড়ি ফিরছিলেন। স্থানীয় মেয়র জোসেফ কঙ্গোলিঙ্গোলি জানিয়েছেন, ফেরি দুর্ঘটনার পর থেকে উদ্ধার কাজ চলছে, তবে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তারা এখনও ঘটনাটি সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি।

এটি কঙ্গোর উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নৌকাডুবির মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে দ্বিতীয় ঘটনা। গত সপ্তাহে এ অঞ্চলে আরেকটি নৌকাডুবির ঘটনায় ২৫ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এই অঞ্চলে ফেরি ও নৌকা দুর্ঘটনা সাধারণত অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের কারণে ঘটে থাকে। দেশটির সরকার প্রায়ই এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে থাকে, তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সড়কে গণপরিবহন চালানোর সামর্থ্য কম থাকায় অনেকেই নৌকা বা ফেরি ব্যবহার করেন।

এছাড়া, গত অক্টোবরে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় কিভু হ্রদে একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৭৮ জন মারা যান।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল সার্বিয়া, নিহত ১৫

অনলাইন ডেস্ক:

মধ্য ইউরোপের দেশ সার্বিয়া বর্তমানে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। গত ১ নভেম্বর সার্বিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় নভি সাদ স্টেশনে ছাদ ভেঙে পড়ার ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যুর পর থেকেই সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। স্থানীয় জনগণের অভিযোগ, এই দুর্ঘটনার পেছনে দুর্নীতি রয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই আন্দোলন তীব্র হয়ে উঠেছে।

গত রবিবার সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে প্রায় ২৯,০০০ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়। আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির শিক্ষার্থীরা, যারা বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের সমর্থন পাচ্ছেন। কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষকসহ সাধারণ জনগণও এতে যোগ দিয়েছেন। বিক্ষোভের শুরুতে ১৫ মিনিট নীরবতা পালন করা হয় নিহত ১৫ জনের স্মরণে। এরপর ‘গর্জনের অর্ধ ঘণ্টা’ নামে এক শক্তিশালী প্রতিবাদ প্রতিবেদনটি চিহ্নিত করা হয়, যেখানে কয়েক হাজার মানুষ একযোগে উচ্চশব্দে প্রতিবাদ জানান।

প্রাথমিকভাবে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুসিচ আন্দোলন নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন ছিলেন না এবং তিনি দাবি করেছিলেন, বিরোধী পক্ষই এই আন্দোলন উস্কে দিয়েছে। তবে রবিবারের বিশাল জমায়েতের পর তিনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

গত সাত সপ্তাহ ধরে বেলগ্রেডে একের পর এক আন্দোলন চললেও রবিবারের জমায়েত ছিল ঐতিহাসিক। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, অন্তত ২৯,০০০ মানুষ এতে অংশ নেয়। ছাত্ররা এই আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠেছে, এবং তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে অভিনয়শিল্পী, কৃষক সংগঠনসহ অন্যান্য পেশার মানুষ।

সার্বিয়া সরকার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। এরই মধ্যে স্কুলগুলোতে শীতকালীন ছুটি বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে, সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলার পর সরকারের পক্ষ থেকে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যার মধ্যে একজন মন্ত্রীও ছিলেন। তবে সম্প্রতি ওই মন্ত্রীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, যা জনতার ক্ষোভকে আরও তীব্র করেছে।

তাইওয়ানে মার্কিন সামরিক সহায়তার ঘোষণায়, চীনের তীব্র প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক:

চীনের তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও, যুক্তরাষ্ট্র গত শনিবার তাইওয়ানে সামরিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণের জন্য ৫৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত সহায়তা অনুমোদন করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘোষণার পর দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ থেকে বিরত থাকার সতর্কতা দিয়েছে।

এদিন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৫৭ কোটি ১০ লাখ ডলারের নতুন সহায়তার অনুমোদন দেন, যা আগের ঘোষিত ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলারের সহায়তার ওপর বাড়তি। এই সহায়তাগুলোর মাধ্যমে তাইওয়ানের আত্মরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চীনের হুমকি প্রতিহত করা লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

এদিকে, চীন তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে, সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি ও স্থিতিশীলতা ব্যাহতকারী ‘বিপজ্জনক পদক্ষেপ’ বন্ধ করতে হবে।

তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সহায়তাগুলোর স্বাগত জানিয়ে এক্স (পূর্ববর্তী টুইটার) সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে জানায়, এটি তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতি মার্কিন সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। চলতি বছর অক্টোবরে, যুক্তরাষ্ট্র ২০০ কোটি ডলারের সমমূল্যের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়, যা চীনের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে।

চীন, তাইওয়ানের আশেপাশে সামরিক মহড়া চালিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং গত মাসে চলমান সামরিক কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য তাইওয়ান দাবি জানায়। তারা জানায়, চীনের সামরিক কার্যক্রম আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ন করছে।

এদিকে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মেয়াদকালে, যদি চীন তাইওয়ানে হামলা চালায়, তবে তাইওয়ানের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, চীনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা পেতে তাইওয়ানের উচিত যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ প্রদান করা।

মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে গাজার শিশুরা

অনলাইন ডেস্ক:

গাজার পরিস্থিতি আরও বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে, যেখানে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক আগ্রাসনের কারণে ৫০ হাজারের বেশি শিশু মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে। এদের মধ্যে অনেক শিশুর জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা প্রয়োজন। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) গাজার বর্তমান অবস্থা ‘ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক খাদ্য ও পুষ্টি সংকটগুলোর মধ্যে একটি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে, ইসরায়েল গাজার দিকে আসা ত্রাণের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে, যা মানবিক সংকটকে আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

গাজার এই ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে অক্সফামের নীতিনির্ধারণী প্রধান বুশরা খালিদী আল-জাজিরার সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, “কিছু পরিবার তাদের বাচ্চাদের খেলতে নিষেধ করছে, কারণ শিশুরা পর্যাপ্ত খাবার পায় না এবং মাথা ঘুরে পড়ে।” তিনি বলেন, “কল্পনা করুন, আপনার পাঁচ বছরের বাচ্চাকে খেলতে নিষেধ করা হচ্ছে, চারপাশে মৃত্যু ও ধ্বংসের মাঝে কোয়াডকপ্টার ও ড্রোনগুলো উড়ছে।”

গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর বাধা নিয়ে ইসরায়েলের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বুশরা খালিদী। তিনি বলেন, “ইসরায়েলের দায়িত্ব হচ্ছে ফিলিস্তিনি জনগণকে রক্ষা করা এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা। তারা বাধ্য যে সব ক্রসিং উন্মুক্ত ও চলাচলের জন্য নিরাপদ হবে।” গাজার চরম অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, “১৪ মাস ধরে অবিরাম বোমাবর্ষণ এবং পুরো জনগণ অনাহারে। বেঁচে থাকার জন্য মানুষ আবর্জনা ও পাতা সেদ্ধ করে খাচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, “বাবা-মায়েরা খাবার পরিহার করছেন, যাতে তাদের বাচ্চারা খেতে পারে।” গাজার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বুশরা বলেন, “গাজা এখন তীব্র অপুষ্টি ও অনাহারের মুখোমুখি। বিশেষত উত্তরের অঞ্চলগুলোতে দুর্ভিক্ষের পকেট তৈরি হয়েছে।”

এ অবস্থায়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি গাজার মানুষের জন্য দ্রুত ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন।

শাকিব-অপু-বুবলী’র সম্পর্ক ও বিতর্কে অপু বিশ্বাসের বক্তব্য

অনলাইন ডেস্ক:

২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল গোপনে বিয়ে করেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান এবং অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ ৯ বছর পর, ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল, অপু বিশ্বাস পুত্র আব্রাম খান জয়কে নিয়ে এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে এসে এই বিয়ের ঘটনা প্রকাশ্যে আনেন। তিনি জানান, তার সন্তানের বাবা হলেন শাকিব খান। এরপর, শাকিব খানের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়, যার পরবর্তী সময়ে শাকিব অভিনেত্রীকে ডিভোর্স দেন।

২০১৮ সালের ১২ মার্চ শাকিব-অপু বিশ্বাসের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে। তবে বিচ্ছেদের পরেও প্রায়ই অপু বিশ্বাসকে শাকিবের সম্পর্ক ও সন্তান নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অপু বলেন, “আমার সেই ঘটনার পর অনেকেই মনে করেছেন—এভাবে সন্তান নিয়ে টেলিভিশনে না এলেও পারতাম বা এটা আমার ভুল ছিল। পুরো বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধান করতে পারতাম। আমরা চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু বারবার মনে হয়েছে কেউ পেছন থেকে টেনে ধরছে, যে কারণে বাঁধনটা ছিঁড়ে গেছে।”

অপু বিশ্বাসের বিচ্ছেদের পর, শাকিব খান ২০১৮ সালের ২০ জুলাই গোপনে বিয়ে করেন অভিনেত্রী শবনম বুবলীকে। ২০২০ সালের ২১ মার্চ শাকিব-বুবলীর ঘর আলো করে জন্ম নেয় তাদের পুত্র শেহজাদ খান বীর। তবে এই সংসারও বেশি দিন টেকেনি এবং তাদের সম্পর্কও ভেঙে যায়। অপু ও বুবলীর মধ্যে একাধিকবার বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, এবং শাকিবের জীবনের দুই নায়িকা নিয়েও নানা আলোচনা চলতে থাকে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, বুবলীর নাম না উল্লেখ করেই অপু বিশ্বাস এসব বিতর্ক নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমার সন্তান (আব্রাম খান জয়) না থাকলে যে প্রসঙ্গটা সৃষ্টি হয়, তাদের আমার যোগ্য বলেই মনে করতাম না। কারণ যোগ্যতা একদিনে সৃষ্টি হয় না। আমি অপু বিশ্বাস, আমি একজন সুপারস্টার। এই ইন্ডাস্ট্রিতে আমার ১৭ বছর চলছে। তাই তাকে আমার যোগ্য বলেই মনে করতাম না।”

অপু বিশ্বাসের এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, তিনি তার অবস্থান এবং নিজের পরিচয়ে দৃঢ় এবং আত্মবিশ্বাসী।

বিরতির পর বিটিভি’র নাটকে মৌ

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে নির্মিত নতুন নাটক ‘সোনার সিন্দুক’এ দীর্ঘদিন পর অভিনয় করেছেন দেশের জনপ্রিয় মডেল ও নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। নাটকটির রচনায় রয়েছেন আলী ইমরান এবং চিত্রগ্রহণ করেছেন আনোয়ার হোসেন বুলু। এটি প্রযোজনা করেছেন মাহবুবা ফেরদৌস। আগামী বুধবার প্রচারিত হতে যাওয়া এই নাটকটি একটি জমিদার বাড়ির রহস্যময় গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে।

নাটকের কাহিনীতে দেখা যাবে, অলংকারপুরের একটি জমিদার বাড়ি, যেখানে আগের সেই জৌলুস আর নেই। এখানে আর জমিদার পরিবারের কেউ বসবাস করেন না। তবে লাঠিয়াল হাশেম সর্দার দিনরাত পাহারা দেন জমিদার বাড়ির। জমিদার রাজা চৌধুরীর উইল অনুযায়ী, ট্রাস্টের মাধ্যমে গ্রামের স্কুল, মসজিদ ও মাদ্রাসা পরিচালিত হয়। উইলে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র সৎ, চরিত্রবান ও শিক্ষিত পরিবারের সদস্যরা এই জমিদারী থেকে অর্জিত সম্পদের অর্ধেক পাবেন।

এমন এক অবস্থায়, রাজা চৌধুরীর ছোট ছেলের একমাত্র সন্তান সোহেল চৌধুরী বিদেশ থেকে পড়াশুনা শেষ করে দেশে ফিরে আসে এবং জমিদার বাড়িতে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে। সোহেল যদি নিজেকে সৎ ও চরিত্রবান প্রমাণ করতে পারে, তবে তাকে ট্রাস্টের টাকা এবং একটি সোনার সিন্দুকও দেওয়া হবে।

সোহেল চৌধুরী তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রী উপমা নিয়ে জমিদার বাড়িতে আসলে, গ্রামবাসী এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতিরা তাদের সাদরে গ্রহণ করেন। কিন্তু, রাতে উপমা সোনার সিন্দুক খুলতে উদগ্রীব হয়ে ওঠে। একসময় সিন্দুক খুলে ভেতরে থাকা টাকা-পয়সা ও সোনা দ্বিগুণ হয়ে যেতে থাকে। পরবর্তীতে উপমা সিন্দুকের ভেতর ঢুকে নিজের চেহারা দ্বিগুণ সুন্দর করার চেষ্টা করেন, তবে সিন্দুক খুলে দেখা যায়, তিনি হুবহু নিজের মতো দুটি প্রতিচ্ছবি পান। সোহেল চমকে যান দেখে।

এই নাটকের মূল রহস্যও এখানেই—উইলের শর্ত অনুযায়ী, যদি সোহেলের একাধিক নারীসঙ্গ প্রমাণিত হয়, তবে সে সমস্ত কিছু থেকে বঞ্চিত হবে। সোহেল কী করবেন? তার সামনে কি ধরা দেবে একটি নতুন দুনিয়া, নাকি তার দুর্দশার সূচনা হবে?

এই নাটকটি দর্শকদের মনোরঞ্জন করার পাশাপাশি একটি নাটকীয় দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসবে, যেখানে শর্ত ও ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্ব নিয়ে চলবে উত্তেজনাপূর্ণ এক গল্প।

বড়দিনে ‘খাদান’ সিনেমার সাফল্য

অনলাইন ডেস্ক:

চলতি বছরের বড়দিন উপলক্ষে টালিউড তারকা দেবের অভিনীত ‘খাদান’ সহ মোট চারটি সিনেমা মুক্তি পায়। সিনেমাগুলোর মুক্তির আগে অনেকেই ধারণা করেছিলেন, ‘পুষ্পা-২’-এর কারণে দেবের সিনেমাগুলোর সফলতা কমে যাবে। তবে প্রথম তিন দিনের পরিসংখ্যান ভিন্ন চিত্রই উপস্থাপন করেছে। ‘খাদান’ প্রথম তিন দিনে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ব্যবসা করে এবং এটি বক্স অফিসে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে।

দর্শকরা হলমুখী হচ্ছেন এবং সিনেমার শো’য়ের সংখ্যা বাড়ছে। এই সাফল্যের জন্য দেব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগপ্রবণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘‘চাঁদের পাহাড়’ এবং ‘অ্যামাজন অভিযান’-এর পর ‘খাদান’ এমনই প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনের ব্যবসা বেশি হয়েছে, প্রতিদিনই নতুন একটি নজির তৈরি হচ্ছে।’’

দেব আরও বলেন, ‘‘কীভাবে আমার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করব, তা জানি না। শুধু এটুকু বলতে পারি, আমার দর্শকরা খুশি, তাই আমিও খুশি।’’ তিনি যোগ করেন, ‘‘‘খাদান’-এর মাধ্যমে বাংলা সিনেমার প্রত্যাবর্তন ঘটেছে।’’

সূত্রের দাবি, সিনেমাটি প্রথম দু’দিনেই দুই কোটি টাকার ব্যবসা করেছে এবং রোববারও একাধিক শো হাউসফুল হয়েছে। রায়গঞ্জে সিনেমাটির প্রথম শো রাত ২টায় হাউসফুল হয়ে যায়, যা সিনেমার সাফল্যকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে। হল মালিকরা এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত।

এছাড়া, দেবকে অন্যান্য পরিচালকরা অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং সিনেমাটি প্রতিদিনই বক্স অফিসে নতুন রেকর্ড গড়ছে।

লালচন্দন গাছ চোরাচালান ও রাশমিকা-অল্লু অর্জুনের নাচের গল্প

অনলাইন ডেস্ক:

সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘পুষ্পা টু’ সিনেমা চোরাচালানের গল্পের সঙ্গে যুক্ত একটি অন্যতম চরিত্র, মূল্যবান লালচন্দন গাছ। সিনেমার কাহিনিতে ‘পুষ্পা’ এবং ‘শ্রীবল্লী’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আল্লু অর্জুন এবং রাশমিকা মান্দানা। ৫ ডিসেম্বর মুক্তির পর এটি বক্স অফিসে তুমুল সাফল্য অর্জন করেছে এবং বহু তাবড় তারকাদের সিনেমার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বিশেষভাবে, সিনেমার ‘পিলিংস’ গানটি মুক্তির আগেই প্রেক্ষাগৃহে সাড়া ফেলে দেয়। এই গানে আল্লু অর্জুনের কোলে উঠতে দেখা যায় রাশমিকাকে, যা নিয়ে নানা সমালোচনা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

এ বিষয়ে রাশমিকা মান্দানা সম্প্রতি কথা বলেছেন। ‘পুষ্পা টু’ সিনেমার ‘পিলিংস’ গানের শুটিং মুক্তির আগের কয়েকদিনে করা হয়েছিল। শুটিংয়ের পুরো সময়টা ছিল পাঁচ দিন। রাশমিকা গালাতা প্লাসকে বলেন, ‘‘গানটির শুটিং করার আগে আমি এবং আল্লু অর্জুন রিহার্সেল করেছি। রিহার্সেলের ভিডিও দেখে আমি বিস্মিত হয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল, ‘এটা কী হচ্ছে?’ বেশিরভাগ সময়ই মনে হতো যে, আমি আল্লু স্যারের কোলে উঠে নাচছি।’’

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে রাশমিকা বলেন, ‘‘শুরুর দিকে অস্বস্তি হচ্ছিল, ‘এটা কীভাবে করব?’ তবে পরে আমার বুঝে আসে, ‘এটি যদি সিনেমার জন্য প্রয়োজন হয়, তবে আমাকে তা করতে হবে।’ আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, ‘চলো, এই কাজটি করি।’ বিশ্বাস রাখলে কাজটা আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে।’’

‘পুষ্পা টু’-তে আল্লু অর্জুনের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাশমিকা। প্রথম সিনেমায় এসপি ভানুয়া সিং শেখাওয়াত চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা ফাহাদ ফাসিল। তার পারফরম্যান্স দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। এবারও ‘পুষ্পা টু’ সিনেমায় একই চরিত্রে তাকে দেখা যাবে। নির্মাতারা নিশ্চিত করেছেন, ‘পুষ্পা টু’ সিনেমা আগের থেকে আরও বেশি চমকপ্রদ হবে।

বাজেটের দিক থেকেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ সিনেমার বাজেট ছিল ১৯৩ কোটি রুপি, কিন্তু ‘পুষ্পা টু’-এর বাজেট হয়েছে ৪০০-৫০০ কোটি রুপি, যা সিনেমাটিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে।

১২৮ টাকায় ডলার, ব্যাংকগুলোতে অস্থিরতা

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আগামী রমজান উপলক্ষে পণ্য আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর কারণে ডলারের চাহিদা হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে দেশে মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। রমজানের আগে এলসি বিল পরিশোধের চাপ এবং বিদেশে ভ্রমণের কারণে ডলারের চাহিদা বাড়ছে। এর ফলে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় পরিমাণ ডলার সরবরাহ করতে পারছে না, যার কারণে রেমিট্যান্স কেনার ক্ষেত্রে ১২০ টাকার ঘোষিত দরের চেয়ে ৮ টাকা বেশি, অর্থাৎ ১২৮ টাকায় ডলার কেনা হচ্ছে।

এছাড়া, খোলাবাজারে মার্কিন ডলারের দাম বেড়ে ১২৯ টাকায় পৌঁছেছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১২৩-১২৪ টাকা। ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, আমদানির দায় পরিশোধে হঠাৎ চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ডলারের দাম বাড়ছে এবং কিছু অসাধু চক্র এই অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সন্দেহভাজন অন্তত ১৩টি ব্যাংকের কাছে ডলার বেচাকেনার তথ্য তলব করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডলারের এই অস্থিরতা মূল্যস্ফীতি বাড়াতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে ডলারের সর্বোচ্চ বেঁধে দেয়া রেট ১২০ টাকা, যা গত জুনে ছিল ১১৮ টাকা এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ছিল ১১০ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে ডলারের ঘোষিত দর বেড়েছে ১০ টাকা, এবং বাজারে বাস্তবতার সঙ্গে তুলনা করলে বেড়েছে ১৮ টাকা।

ঢাকায় ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদান সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এক ব্রিফিংয়ে জানান, সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদান বাংলাদেশ সরকারের এবং জনগণের প্রতি ফিলিস্তিনের জনগণের সহমর্মিতা প্রকাশের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচারে নারী ও শিশু হত্যার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থনমূলক। তিনি উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিনের সমস্যার সমাধানে জাতিসংঘ, ওআইসি, ন্যামসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বাংলাদেশ সবসময় শক্তিশালী ভূমিকা রেখে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে।

এসময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি এবং সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ খবর

শাহরুখের কিং সিনেমায় দেখা যাবে রণবীরকে!

0
অনলাইন ডেস্ক: বলিউডে এখন নতুন গুঞ্জন শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘কিং’ এ বিশেষ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে রণবীর সিংকে। যদিও...