Wednesday, September 30, 2026
31 C
Dhaka
Wednesday, September 30, 2026

বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হলো কঙ্গনা রানাউতের ‘ইমার্জেন্সি’

অনলাইন ডেস্ক:

কঙ্গনা রানাউতের বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘ইমার্জেন্সি’ অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে আগামীকাল শুক্রবার। তবে বিতর্ক যেন ছবিটির পিছু ছাড়ছে না। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করা এই ছবি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ছবিটি ইন্দিরা গান্ধীর শাসনামলে ১৯৭৫ সালে ভারতে জারি হওয়া জরুরি অবস্থার প্রেক্ষাপটে নির্মিত। এতে তুলে ধরা হয়েছে ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের এক অন্ধকার সময়। ছবিতে ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সহযোগিতা করার ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে।

তবে ছবিটির কিছু বিষয়বস্তু বর্তমান ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ কারণেই বাংলাদেশে ছবিটির প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র বাজার। সেখানে ছবিটি মুক্তি না পাওয়ায় এর আর্থিক আয়ের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশে ছবিটি নিষিদ্ধ করার পেছনে দুই দেশের বর্তমান রাজনৈতিক উত্তেজনার ভূমিকা রয়েছে।

‘ইমার্জেন্সি’ পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা করেছেন কঙ্গনা রানাউত নিজেই। এটি তার পরিচালিত প্রথম ছবি। শুরু থেকেই নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। সেন্সর বোর্ডের আপত্তি থেকে শুরু করে সম্প্রদায়গত সমালোচনা, সবকিছু মোকাবিলা করতে হয়েছে তাকে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ছবিটি অবশেষে মুক্তির পথে।

মুক্তির আগে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন কঙ্গনা। ছবিটি দেখার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ভারতের ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়কে সৎ ও উৎকৃষ্টভাবে উপস্থাপন করেছে এই সিনেমা। সবাইকে এই ছবি দেখার জন্য তিনি অনুরোধও জানিয়েছেন।

কঙ্গনা জানিয়েছেন, ছবিটির নির্মাণ প্রক্রিয়া ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এত বাধা পেরিয়ে ‘ইমার্জেন্সি’ মুক্তি পেলেও ভবিষ্যতে আর কোনো রাজনৈতিক সিনেমা তৈরির পরিকল্পনা তার নেই। ছবির মুক্তি তাকে যেমন গর্বিত করেছে, তেমনি এই যাত্রা তার জন্য দুঃসহ অভিজ্ঞতাও হয়ে থাকবে।

নারী উদ্যোক্তা তনির স্বামী আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারী উদ্যোক্তা সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার রোবাইয়াত ফাতিমা তনির স্বামী শাহাদাৎ হোসাইন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ব্যংককে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে খবরটি নিশ্চিত করেছেন তনি নিজেই।

আবেগঘন এক পোস্ট দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘সে আর নাই। ব্যাংকক সময় রাত ৩.০৩ মিনিটে আমাকে সারাজীবনের মত একা করে চলে গেছে।’

উল্লেখ্য, শাহাদাৎ হোসাইন একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। যদিও দুজনের বয়সের ব্যবধান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের মুখে পড়েছিলেন এই নারী উদ্যোক্তা। এসবের জবাবও দিয়েছিলেন তখন।

উল্লেখ্য, শাহাদাৎ হোসাইন তনির দ্বিতীয় স্বামী। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তনি। এরপর ভালোবেসে বিয়ে করেন শাহাদাৎকে। প্রথমে পরিবার মেনে না নিলেও পরবর্তীতে সব ঠিক করে নিয়েছিলেন তনি।

আরএ

সেন্টমার্টিন দ্বীপে অগ্নিকাণ্ড, ২টি রিসোর্ট পুড়ে ছাই

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে দুটি রিসোর্ট—বীচ ভ্যালি এবং কিংশুক ইকো রিসোর্ট। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটের দিকে সাইরী ইকো রিসোর্টের রিসেপশনে মাল্টি প্লাগের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী আবদুল মালেক।

আগুন ছড়িয়ে পড়লে দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটক এবং যৌথ বাহিনীর সদস্যরা প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনের সূত্রপাত বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাইরির অভ্যর্থনাকক্ষ, পাশে থাকা বীচ ভ্যালির ১৮টি কক্ষ, এবং কিংশুক ইকো রিসোর্টের ৭টি কক্ষ পুড়ে যায়।

বাতাস থাকার কারণে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে, তবে স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের চেষ্টায় বুধবার ভোর চারটার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ বিষয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, ‘‘এই অগ্নিকাণ্ডে সেন্টমার্টিনের স্থানীয় পর্যটনশিল্পে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।’’ ক্ষতিগ্রস্ত রিসোর্ট মালিকরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘‘এই ঘটনার পর রিসোর্ট মালিকদের পাশাপাশি দ্বীপের পর্যটন ব্যবসায় জড়িত সবাই উদ্বিগ্ন। দ্বীপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো উন্নত করার জন্য কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।’’

ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

বিদ্রোহের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক:

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইয়ন সুক ইয়লকে বিদ্রোহের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে দেশটির পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। কয়েক সপ্তাহের রাজনৈতিক অচলাবস্থার পর তার বাসা ঘেরাও করে তিন হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য। রক্তপাত এড়াতে তদন্তে সহায়তা করতে সম্মত হয়ে তিনি নিজেকে নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে সমর্পণ করেন।

ইয়ন সুক ইয়ল বলেন, “যখন অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাঙা হচ্ছে, তখন আমি রক্তপাত এড়াতে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যদিও এই জিজ্ঞাসাবাদ অবৈধ।” বুধবার সকালে তাকে মোটরশোভাযাত্রা নিয়ে তদন্তকারীদের অফিসে যেতে দেখা যায়। এখন তাকে ৪৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক রাখা হবে, এরপর আদালতের কাছে তাকে ২০ দিনের জন্য আটক রাখার পরোয়ানা চাওয়া হবে অথবা ছেড়ে দেওয়া হবে।

ইয়ন সুকের গ্রেপ্তারকে অবৈধ বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবীরা এবং অভিযোগ করেছেন যে তাকে জনসমক্ষে হেনস্তা করা হচ্ছে। গ্রেফতারের সময় ইয়ন সুকের অশ্রুসিক্ত সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের হালকা ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।

গত বছর ৩ ডিসেম্বর সামরিক আইন জারি করেছিলেন ইয়ন সুক, যা সবার জন্য বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছিল। ১৪ ডিসেম্বর পার্লামেন্টে অভিশংসন প্রস্তাব পাশ হওয়ার পর তিনি সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন।

এশিয়ার সবচেয়ে প্রাণবন্ত গণতন্ত্র এবং চতুর্থ বড় অর্থনীতির দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক শাসন জারির পর ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়। দেশটিতে প্রথম কোনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট গ্রেপ্তার হলেন, যদিও আগে সাবেক নেতাদের কারাবন্দি ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

প্রধান উপদেষ্টার কাছে সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাষ্ট্র সংস্কারের সুনির্দিষ্ট সুপারিশসহ চারটি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন আজ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

আজ সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক ইউনূসের কাছে এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন চার সংস্কার কমিশনের সদস্যবৃন্দ।

এই চারটি প্রতিবেদন হলো: সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, দুর্নীতি দমন কমিশন, এবং পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন।

প্রতিবেদন জমা দেওয়া কমিশনগুলো হলো- ড. বদিউল আলম মজুমদারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, সরফরাজ হোসেনের নেতৃত্বাধীন পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন, টিআইবির ড. ইফতেখারুজ্জামানের নেতৃত্বে দুর্নীতি দমন কমিশন এবং ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. আলী রিয়াজের নেতৃত্বে সংবিধান সংস্কার কমিশন।

এসব কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করবে অন্তর্বর্তী সরকার। চলতি মাসেই এ আলোচনা শুরু হতে পারে। সংস্কার প্রস্তাব এবং এগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে ঐকমত্য হলে সংলাপ থেকে একটি রূপরেখা আসতে পারে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিবেদনের মাধ্যমে এসব কমিশন রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য তাদের সুপারিশ তুলে ধরেছে, যা দেশের আইনি এবং প্রশাসনিক কাঠামো উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

ছাগলকাণ্ডে এনবিআরের সাবেক সদস্য মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বহুল আলোচিত ছাগলকাণ্ডে জড়িত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৬ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মতিউর রহমান, তার স্ত্রী লায়লা কানিজ, ছেলে তৌফিকুর রহমান এবং মেয়ে ফারজানা রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পৃথক মামলা দায়ের করে। এর আগে ২০২৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীর বিরুদ্ধেও দুদক পৃথক মামলা করেছিল।

গত কোরবানির ঈদে মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান একটি “উচ্চবংশীয়” ছাগল ১৫ লাখ টাকায় কেনার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হন। এ ঘটনার পর তাদের বিলাসবহুল জীবনযাপন ও অঢেল সম্পদের তথ্য সামনে আসতে শুরু করে। জানা যায়, মতিউর রহমান ও তার পরিবারের নামে রয়েছে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ।

দুদক ২০২৩ সালের ২৩ জুন মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। ২৫ জুন বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং শেয়ারবাজারের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্ট জব্দের নির্দেশ দেয়।

ছাগলকাণ্ডের সূত্র ধরে শুরু হওয়া এই দুর্নীতি তদন্ত ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ দুর্নীতি মামলায় খালাস পেয়েছেন। আজ, ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন, “এটি প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে করা মামলা।” আদালত আরও বলেন, মামলাটি অসৎ উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, যা খালেদা জিয়াসহ মামলার সব আসামির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এর ফলে তারেক রহমানসহ পলাতক আসামিরাও এই মামলায় খালাস পেয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এই মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন, যা পরে হাইকোর্ট ১০ বছরে উন্নীত করে। তবে আপিল বিভাগের আজকের রায়ে সেই সাজা বাতিল করা হয়েছে।

টিউলিপ সিদ্দিকের পদত্যাগ, এমা রেনল্ডস নতুন অর্থনীতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক:

যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিবিষয়ক মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিক পদত্যাগ করেছেন। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন লেবার পার্টির এমপি এমা রেনল্ডস। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) নতুন অর্থনীতিবিষয়ক মিনিস্টার হিসেবে এমা রেনল্ডসকে নিয়োগ দেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, টিউলিপ সিদ্দিকের পদত্যাগের পরপরই ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট থেকে এই পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে এমা রেনল্ডস ওয়ার্ক অ্যান্ড পেনশনস মন্ত্রণালয়ের পেনশন মন্ত্রী এবং জুনিয়র ট্রেজারি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

টিউলিপ সিদ্দিক, যিনি শেখ হাসিনার ছোটবোন শেখ রেহানার মেয়ে, যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থনীতি বিষয়ক মিনিস্টার (ইকোনমিক সেক্রেটারি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি আর্থিক খাতে দুর্নীতি দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিলেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের জেরে টিউলিপ সিদ্দিক প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েন। বিরোধী দলসহ বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি জোরালো হতে থাকে। বাংলাদেশে দুর্নীতির একাধিক অভিযোগে তদন্ত শুরু হওয়ার পর গতকাল মঙ্গলবার চাপে পড়ে পদত্যাগ করেন তিনি।

লাদাখ সীমান্তে ভারতীয় সেনাদের সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক:

পূর্ব লাদাখে চীনের ড্রাগন ফৌজের যুদ্ধ মহড়ায় ভারতের মধ্যে সতর্কতার সংকেত সৃষ্টি হয়েছে। বরফে ঢাকা এলএসিতে চীনের পিপল লিবারেশন আর্মির ঝিংজিয়ান সেনা কমান্ডো একটি রেজিমেন্ট যুদ্ধ মহড়া সম্পন্ন করেছে, যা ভারতের সেনাবাহিনীর জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতের গণমাধ্যমের সূত্রের খবর অনুযায়ী, চীনের এই মহড়া ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ প্রস্তুতির একটি স্পষ্ট সংকেত।

যুদ্ধ মহড়াটি চীনের পিপল লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ঝিংজিয়ান সেনা কমান্ডোর একটি রেজিমেন্ট লাদাখের মতো চরম আবহাওয়ায় পরিচালনা করেছে, যেখানে সেনাবাহিনীর গাড়ি, ড্রোন এবং অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের যুদ্ধের সক্ষমতা পরীক্ষা করা।

এ খবর প্রকাশের পরই ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে এলএসি থেকে সেনা প্রত্যাহারের পরেও চীন বড় ধরনের কোনো প্রস্তুতি নিচ্ছে। ২০২০ সালের গালোয়ান সংঘাতের পর সীমান্ত পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যেখানে উভয় দেশের সেনাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছিল এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে দুই দেশের সেনা কমান্ডারদের মধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভারতের সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীনের এই যুদ্ধ মহড়া এলএসিতে ভারতীয় সেনাদের জন্য একটি বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, এবং এর ফলে সামরিক প্রস্তুতির বিষয়ে ভারতকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।

৪২ দিনের যুদ্ধবিরতিতে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক:

কাতারের রাজধানী দোহায় গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে চলছে চূড়ান্ত আলোচনা। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়ে হামাস তাদের হাতে বন্দি থাকা ৩৩ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে। চুক্তির বিস্তারিত তথ্য সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন প্রকাশ করেছে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের ধারণা, মুক্তি পেতে যাওয়া জিম্মির বেশিরভাগই জীবিত আছেন, তবে তাদের মধ্যে কয়েকজন ‘নিহত’ জিম্মিও থাকতে পারেন, এবং তাদের মরদেহও ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলের দক্ষিণ সীমান্তে হামলা চালিয়ে ২৫১ জনকে জিম্মি করেছিল, এর মধ্যে বর্তমানে ৯৪ জন হামাস ও তাদের মিত্রদের কাছে বন্দি রয়েছে।

এদিকে, যুদ্ধবিরতির চুক্তি খুব শিগগিরই চূড়ান্ত হতে পারে বলে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তারা প্রস্তুত আছেন যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চাপ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে হামাসের উসকানির অবসান ঘটবে এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য মানবিক সহায়তার সুযোগ তৈরি হবে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, গাজার ফিলাডেলফি করিডরে ইসরায়েলি বাহিনী সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখবে। তবে, হামাস এই শর্ত মেনে নেওয়ার আভাস দিয়েছে। চুক্তির প্রথম পর্যায়ে গাজার সংঘাত বন্ধ হবে, এবং এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ের যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্য দিয়ে স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা তৈরি হবে।

এছাড়া, গাজার একটি বাফার জোন তৈরি করবে ইসরায়েল, তবে এর আকার এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বাফার জোন গাজার উত্তরাঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের নিরাপদভাবে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে, এই ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি না হয়।

যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়ে ইসরায়েলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিদেরও মুক্তি দেওয়া হবে। তবে, যাদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি হত্যার অভিযোগ রয়েছে, তাদের পশ্চিম তীরে মুক্তি দেওয়া হবে না। এই ব্যক্তিরা গাজার বাইরে বা আলোচনা সাপেক্ষে অন্য জায়গায় মুক্তি পাবেন।

এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে, তবে কিছু আনুষ্ঠানিক জটিলতা বাকি রয়েছে। তিনি জানান, ইসরায়েল চুক্তির শর্ত দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত, তবে প্রথমে নিরাপত্তা ক্যাবিনেট ও পূর্ণাঙ্গ সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ১,২০০ ইসরায়েলি নিহত হন এবং ২৫০ জন জিম্মি হন। এরপর থেকে গাজার সংঘাত তীব্র হয়ে ওঠে, যার ফলে প্রায় ৪৬ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং ১ লাখেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে।

 

 

সর্বশেষ খবর

৭ বছর পর ফিরেও বক্স অফিস কাঁপাচ্ছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’

0
অনলাইন ডেস্ক: মুক্তির সাত বছর পর বাড়তি দৃশ্য নিয়ে আবারও প্রেক্ষাগৃহে ফিরেছে মার্ভেল ও ডিজনির জনপ্রিয় সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। নতুন সিনেমার ভিড়েও বক্স অফিসে দাপট...