এলএনজি আমদানির চড়া মূল্যে বাড়ছে আর্থিক সংকট, ঝুঁকিতে জ্বালানি খাত

অনলাইন ডেস্ক:

দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির ওপর নির্ভরতা যেমন বাড়ছে, তেমনি এর বিপরীতে তৈরি হওয়া আর্থিক বোঝা অর্থনীতিতে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও ডলার সংকটের মুখে চড়া মূল্যে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখতে গিয়ে সরকারের ব্যয়ের বড় একটি অংশ চলে যাচ্ছে এলএনজির পেছনে, যা সার্বিক বাজেট ব্যবস্থাপনাকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে।

শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ছাড়াও স্পট মার্কেট থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি কিনছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা। এতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকির পাশাপাশি বকেয়া বিল পরিশোধেও তৈরি হচ্ছে দীর্ঘসূত্রতা। আমদানি ব্যয় মেটাতে গিয়ে ডলারের সংস্থান করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে।

সংশ্লিষ্ট খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এলএনজির লাগামহীন খরচের কারণে বিদ্যুৎ ও শিল্পপণ্যের উৎপাদন ব্যয় ক্রমেই বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীদের দেনা যথাসময়ে শোধ করতে না পারলে ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রের অনুসন্ধান বাড়ানো এবং জ্বালানি রূপান্তরে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।