অনলাইন ডেস্ক:
বলিউডের অন্যতম চর্চিত বিচ্ছেদগুলির মধ্যে অন্যতম হলো ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও সালমান খানের প্রেম ও বিচ্ছেদ। নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে শুরু হওয়া এই সম্পর্ক যেমন আলোচনায় এসেছিল, তেমনই তিক্ত বিচ্ছেদও আজও আলোচনার বিষয়।
সঞ্জয় লীলা বনশালির সিনেমা ‘হাম দিল দে চুকে সনম’-এর সেটে প্রথমবার ঘনিষ্ঠ হন সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই। সে সময় সালমান সোমি আলির সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। তবে ঐশ্বরিয়ার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তার প্রেমে পড়েন সালমান। মাত্র চার বছরের মধ্যেই এই প্রেম ভেঙে যায়।
বিচ্ছেদের আগে তাদের সম্পর্ক ছিল উত্তাল। একটি ঘটনায় রাত তিনটার সময় সালমান ঐশ্বরিয়ার গোরখ হিল টাওয়ারের ফ্ল্যাটে গিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঐশ্বরিয়া তাকে প্রবেশ করতে না দিলে সালমান ১৭ তলা থেকে ঝাঁপ দেওয়ার হুমকি দেন। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রচুর হট্টগোল হয়।
পরে এক সাক্ষাৎকারে সালমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “আমি ঘটনাটি অস্বীকার করছি না। তবে কিছু বিষয় রঙ চড়িয়েও বলা হয়েছে। সম্পর্ক থাকলে ঝামেলা হবেই। সম্পর্কের প্রতি ভালোবাসা থাকলে ঝগড়াও থাকবে।” তিনি আরও জানান, ঐশ্বরিয়ার বাড়ির সামনে যেতে তাকে পুলিশ নিষেধ করেছিল।
২০০২ সালে এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া তাদের বিচ্ছেদের কথা প্রকাশ্যে আনেন। তিনি অভিযোগ করেন, “বিচ্ছেদের পরেও সালমান আমাকে বিরক্ত করত। শারীরিক অত্যাচার করত। তবুও আমি হাসিমুখে কাজ করেছি, যেন কিছুই হয়নি।”
বিচ্ছেদের বহু বছর পেরিয়ে গেলেও সালমান ও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়নি। একসঙ্গে কোনো সিনেমায় কাজ করেননি তারা। এমনকি কোনো পার্টিতে দেখা হলেও কথাবার্তা বলেন না দু’জন।
ঐশ্বরিয়া এখন বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের একজন এবং অভিষেক বচ্চনের স্ত্রী। অন্যদিকে সালমান খান তার ক্যারিয়ারে একাধিক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তবে তাদের প্রেম ও বিচ্ছেদের এই অধ্যায় বলিউড ইতিহাসের একটি আলোচিত বিষয় হিসেবেই রয়ে গেছে।











