অনলাইন ডেস্ক:
গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো নতুন হামলায় আরও ৬০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। সোমবার (৭ এপ্রিল) ভোর থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় নিহতদের মধ্যে অনেকেই সাধারণ মানুষ, এবং এই সহিংসতার ফলে গাজা নগরী আরও ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।
গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মোহাম্মদ বাশালের বরাতে সংবাদ মাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানায়, নিহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ হামলা চলমান রয়েছে এবং আরও আহতদের উদ্ধার করা হচ্ছে।
এই হামলা শুরু হওয়ার পর, ইসরায়েলি বাহিনী একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বোমা হামলা, স্থল অভিযান এবং বিমান হামলা। এর আগে, নাসের হাসপাতালে সাংবাদিকদের তাবুতে বোমা হামলায় তিন সাংবাদিক নিহত হন।
গাজা উপত্যকির পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপূর্ণ। ইসরায়েলি বাহিনীর ক্রমাগত হামলায় পুরো অঞ্চল ধ্বংস হয়ে গেছে এবং গাজার মানুষদের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ইসরায়েলি দখলদারিত্বের কারণে গাজায় ৬ লাখ ২ হাজার শিশু পোলিও টিকা থেকে বঞ্চিত হয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।
এছাড়া, গত রবিবার ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরের তুরমাস আইয়ায় ১৪ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি-আমেরিকান কিশোর ওমর মোহাম্মদ রাবেয়াকে গুলি করে হত্যা করেছে, যা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
ইসরায়েল ১৮ মার্চ থেকে গাজায় ব্যাপক বিমান ও স্থল অভিযান শুরু করেছে এবং তাদের নিয়ন্ত্রণ এখনও সম্প্রসারিত হচ্ছে। বর্তমানে, গাজার প্রায় ৫০ শতাংশ দখলে নিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী (আইডিএফ)। এর ফলে, অধিকাংশ ফিলিস্তিনি তাদের নিজ ভূমিতে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলার বর্বরতায় এখন পর্যন্ত ৫০,৬৯৫ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।











