জাতীয় নির্বাচন আয়োজন একটি অভ্যন্তরীণ বিষয়: প্রেস সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ভারতের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন আয়োজন একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক বিবৃতিতে বলেন, “নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে আমাদের জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার প্রতি যেন সবাই শ্রদ্ধা দেখায়।”

ভারতের প্রতিক্রিয়ার জবাবে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ কর্তৃক সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে সৃষ্ট ক্ষত এখনো তরতাজা।” তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রত্যক্ষ করেছি কীভাবে আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক কাঠামো ধ্বংস করেছে, রাজনৈতিক পরিসর সংকুচিত করেছে এবং দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের সার্বভৌমত্বকে আপোষের দিকে ঠেলে দিয়েছে।”

সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও আইসিটি আইনের সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী।

নির্বাচন প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “আমরা স্মরণ করি কীভাবে আওয়ামী লীগ বারবার প্রহসনমূলক নির্বাচনের আশ্রয় নিয়েছে এবং আমাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া ও প্রতিষ্ঠানগুলোর অপূরণীয় ক্ষতি করেছে।”

তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে একটি বৃহৎ সংস্কার প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত রয়েছে। সরকার চায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন যাতে দেশের জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হয়।