জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফের ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

অনলাইন ডেস্ক:

রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার। রোজিনা আক্তার বলেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুনের সংবাদ পেয়েছি। আমাদের ইউনিট রওনা হয়ে গেছে। আমরা ৭টা ১৮ মিনিটের দিকে আগুনের সংবাদ পেয়েছি। এটা সহিংসতার আগুন তাই আমরা অনুমতিসাপেক্ষে টার্ন করছি। জানা গেছে, সন্ধ্যা ৭টার পর পর বিক্ষোভকারীদের একটি দল জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। ভাঙচুর শেষে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে সাড়ে ৭টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। পরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওইদিন সোয়া ৬টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে আসেন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতির ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ মিছিল শেষে পুলিশকে উদ্দেশ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপে তারা। এসময় দলীয় কয়েকজন নেতাকর্মীকে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করতেও দেখা যায়। এতে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হতেই কিছু নেতাকর্মী পেছন দিক থেকে এসে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে স্লোগান দিয়ে ভাঙচুর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে। সেময় পুলিশ সদস্যরা রমনা থানার দিকে কিছুটা পিছু হটে। এসময় জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের নিচে একটি স্টোররুমের গেট ভেঙে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ।

এতে বিক্ষোভকারীরা পিছু হটলে পুলিশ আগুন নিভিয়ে ফেলে। এর আগে রাজধানীর কাকরাইলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলায় আহত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। গতকাল শুক্রবার দনগত রাত সাড়ে ১২টার পর তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।