অনলাইন ডেস্ক:
ফ্যাসিবাদী সরকারের সহযোগী হওয়ার অভিযোগে হাইকোর্টের বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। গত ৩০ জানুয়ারি তিনি প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান এবং ১ ফেব্রুয়ারি তার অবসর গ্রহণের দিন ছিল। তবে তার আগেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। গত বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়।
বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের অধীনে অসদাচরণের অভিযোগ অনুসন্ধান চলছিল। তবে অনুসন্ধান পর্যায়েই তিনি তার লাল পাসপোর্ট সারেন্ডার করে কানাডায় চলে যান। ৯ নভেম্বর তিনি সবুজ পাসপোর্ট নিয়ে কানাডা পাড়ি দেন। তার পদত্যাগের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে জানানো হয়, তিনি প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়েছেন।
এদিকে, ২০২২ সালে ১১ জন অতিরিক্ত বিচারপতিকে হাইকোর্টে নিয়োগ দেওয়া হয়, যার মধ্যে বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম এবং এস এম মাসুদ হোসেন দোলন স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাননি। তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছিল, ফলে তারা আর কোনো বেঞ্চে দায়িত্ব পালন করতে পারেননি।
পদত্যাগের পর, ১২ বিচারপতির মধ্যে পাঁচজন বিচারপতি বিদায় নিয়েছেন, এবং বর্তমানে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের অধীনে সাতজন বিচারপতি রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান এবং তদন্ত চলছে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কাউন্সিল এ বিষয়টি পরিচালনা করছে।
প্রসঙ্গত, বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়দানকারী বিচারক হিসেবে পরিচিত।











