ভ্যান্সের পাকিস্তান সফরে কি মিলবে দীর্ঘমেয়াদী সমাধান?

অনলাইন ডেস্ক :

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর এটিই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা। জেডি ভ্যান্সের এই সফরে তার সাথে রয়েছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। আজ শনিবার নূর খান বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির।

ওয়াশিংটন ত্যাগের প্রাক্কালে ভ্যান্স এক বার্তায় জানান যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে আলোচনার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ইরানিরা যদি সদিচ্ছার সাথে আলোচনা করতে চায়, তবে আমরা অবশ্যই বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত। কিন্তু তারা যদি আমাদের সাথে চালাকি করার চেষ্টা করে, তবে তারা দেখবে এই আলোচনা দল মোটেও নমনীয় নয়।”

এদিকে ইরানি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরানের পক্ষ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ এবং অবরুদ্ধ ইরানি সম্পদ ছেড়ে দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এই আলোচনাকে “হয় জয়, নয় বিনাশ” (make-or-break) হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইসলামাবাদে বর্তমানে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং পুরো বিশ্বের নজর এখন এই আলোচনার ফলাফলের দিকে।