নিজস্ব প্রতিবেদক:
‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ সচিবালয়। সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভে যোগ দেন।
সকাল পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিষদের অপর অংশ, নূরুল ইসলাম ও মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে যুক্ত হয়ে আন্দোলনের পরিসর আরও বিস্তৃত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নিতে একে একে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের নিজ নিজ দপ্তর ছেড়ে নিচে নেমে আসেন। অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকে।
আন্দোলনকারীরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, অধ্যাদেশটি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
এর আগে, গত ২৫ মে রাষ্ট্রপতি জারি করা অধ্যাদেশে বলা হয়, শৃঙ্খলা ভঙ্গ, কর্তব্যে অনুপস্থিতি বা উসকানির মতো অভিযোগে বিভাগীয় মামলা ছাড়াই কেবল কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে একজন সরকারি কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা যাবে। এর ফলে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই চাকরি হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের।
২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদনের পর ২৪ মে থেকেই সচিবালয়ে আন্দোলন শুরু হয়। গতকাল রবিবার (২৫ মে) সচিবালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে সব সংগঠন একযোগে বিক্ষোভ করে।











