সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ শেষে নৌপথে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক:

সুন্দরবন আকাশপথে পর্যবেক্ষণ শেষে নৌপথে বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি ‘বানৌজা মোংলা’-র জেটিতে এসে পৌঁছান।

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৯টায় বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেন এবং ১০টার দিকে হিরণ পয়েন্টসহ সমগ্র সুন্দরবন এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। সেখান থেকেই নৌপথ ব্যবহার করে তিনি মোংলার বানৌজা ঘাঁটিতে পৌঁছান।

নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে বানৌজার ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এতে খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ছাড়াও খুলনা ও বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকরা উপস্থিত থাকবেন।

পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে মোংলা বন্দরের জেটি পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে বিকেল ৩টায় সেখানে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিকেল সোয়া ৩টায় প্রস্তাবিত বেজা (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের দিকে রওনা হয়ে সাড়ে ৩টায় সেটি সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন।

দিনভর মোংলার বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পন্ন করে বিকেল ৪টায় হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সময়সূচি অনুযায়ী বিকেল ৫টায় তার রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মোংলা ও এর আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। পরিদর্শনের স্থানগুলোতে অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া এসআরবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরটি সম্পূর্ণ সরকারি, রাজনৈতিক নয়। ফলে সার্বিক কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ সীমিত রেখে কেবল সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।