অনলাইন ডেস্ক:
পর্তুগালের সাধারণ নির্বাচনের প্রচার কার্যক্রম শুক্রবার মধ্যরাতে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। নির্বাচনের আগে শেষ মুহূর্তের জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রো নেতৃত্বাধীন মধ্য-ডানপন্থী ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এডি) ভোটে এগিয়ে রয়েছে। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে কিনা, তা এখনও অনিশ্চিত।
সর্বশেষ রেডিও রেনাসেনকা পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, এডি পেতে পারে ৩২.৫% ভোট, যেখানে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী বামপন্থী সোশ্যালিস্ট পার্টি (পিএস) পেতে পারে ২৬.৫% ভোট। জরিপ অনুযায়ী, চরম ডানপন্থী চেগা দল পেতে পারে ১৭.৬% ভোট, যা তাদের ২০২৪ সালের ফলাফলের প্রায় কাছাকাছি এবং তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।
তবে প্রধানমন্ত্রী মন্টেনেগ্রোর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে স্থিতিশীল সরকার গঠন। আগেই তিনি চেগা দলের সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। ফলে, চরম ডান ও বামপন্থীদের মাঝখানে পড়ে তিনি আবারও সংখ্যালঘু সরকারের নেতৃত্বে পড়তে পারেন।
এই নির্বাচন আহ্বান করা হয়েছিল চলতি বছরের মার্চে, যখন ৫২ বছর বয়সী এই প্রধানমন্ত্রী সংসদে আস্থা ভোটে পরাজিত হন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সরকার পরিচালনায় স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টি করেছে। এই ইস্যু থেকেই তিনি আস্থা হারান এবং আগাম নির্বাচন ঘোষণা করা হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক পাওলা এস্পিরিটো সান্টো বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর জন্য ক্ষমতায় টিকে থাকাটাই ইতিবাচক ফলাফল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কারণ তিনি সংসদে অধিক শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করতে একটি পরিকল্পিত ঝুঁকি নিয়েছেন।”
জরিপে আরও দেখা যাচ্ছে, এডি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও লিবারাল ইনিশিয়েটিভ পার্টি, যারা ৬.৪% ভোট পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তাদের সমর্থন পেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে এই ছোট দলটি সম্ভাব্য জোটসঙ্গী হয়ে উঠতে পারে।
প্রচারের শেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী মন্টেনেগ্রো বলেন, “আমরা আরও বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা চাই, যাতে স্থিতিশীল ও কার্যকর সরকার গঠন করা সম্ভব হয়।”











