নিজস্ব প্রতিবেদক :
এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না, এমন রায় দিয়েছেন বাংলাদেশের হাইকোর্ট। বুধবার (১২ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন।
এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পৃথক দুটি রিটের শুনানি শেষে আজকের দিন রায়ের জন্য ধার্য করা হয়। রায়ে হাইকোর্ট জানিয়েছে, এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া যারা ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) থেকে আইন ভঙ্গ করে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছে।
২০১০ সালে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন পাশ হয়, যেখানে শুধুমাত্র এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসকরা তাদের নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএমএ) এই আইনের ২৯ ধারার বৈষম্যমূলক প্রয়োগের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে একটি রিট দায়ের করে।
এছাড়া, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনের ২৯(১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করেন, তবে তার কাছে স্বীকৃত মেডিকেল বা ডেন্টাল যোগ্যতা থাকা আবশ্যক। অন্যথায়, তা একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে, এবং এর জন্য তিন বছর কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
রিটের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন শুনানি করেন, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ এম সাইফুল করিম।











