নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইসরাইলের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে আজ ভোর ৫টার দিকে বাংলাদেশী বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন। তিনি স্বাধীন মিডিয়া প্রতিষ্ঠান দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে সোচ্চার একজন কর্মী।
গত বুধবার গাজা অভিমুখী নৌবহরে অংশগ্রহণ করে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে আটক হন শহিদুল আলম। মুক্তির পর টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি প্রথমে তুরস্কের ইস্তানবুল পৌঁছান, যেখানে বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল মো. মিজানুর রহমান তাকে স্বাগত জানান।
বিমানবন্দরে শহিদুল আলমকে বরণ করতে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ও মানবাধিকারকর্মী রেহনুমা আহমেদ, জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব, আলোকচিত্রী মুনেম ওয়াসিফসহ অনেকে।
শহিদুল আলম ফেসবুকে বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের ভালবাসা আমাকে ফিরে আসার সুযোগ করে দিয়েছে। তবে গাজার মানুষ এখনও মুক্ত হয়নি এবং তাদের ওপর নির্যাতন চলছে। এই নির্যাতন যতক্ষণ শেষ হবে না, আমাদের সংগ্রামও শেষ হবে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আরও হাজার ফ্লোটিলা পাঠাবো যতক্ষণ না ফিলিস্তিন মুক্তি পায়। আমাদের আসল সংগ্রাম এখনো বাকি রয়েছে।”
শহিদুল আলমের মুক্তিতে বাংলাদেশ সরকার জর্ডান, মিসর ও তুরস্কের মাধ্যমে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল। এছাড়া, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন’ নামক একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম গাজা অভিমুখে নৌযাত্রাটি পরিচালনা করেছিল, যেখানে বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও মানবাধিকারকর্মী অংশগ্রহণ করেছিল। শহিদুল আলমও সেই দলে ছিলেন।











