নিজস্ব প্রতিবেদক:
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তিন দফা দাবি আদায়ে নবম দিনের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল থেকে তারা অনশন ও সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছেন।
আন্দোলনকারীরা সরকারের ঘোষণা করা মাত্র ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
রোববার বিকেলে রাজধানীর শিক্ষা ভবনের সামনে ‘ভুখা মিছিল’ নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ বাধা দিলে শিক্ষক নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপর এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট আমরণ অনশন ও সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়।
জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, “সরকারের ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত শিক্ষকদের সঙ্গে সরাসরি অবিচার। আমরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত মাঠ ছাড়ব না।”
তাদের তিন দফা দাবি হলো:
মূল বেতনের ২০% হারে বাড়িভাড়া ভাতা প্রদান,
চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৫০০ টাকা করা,
উৎসব ভাতা ৫০% থেকে বাড়িয়ে ৭৫% করা।
১২ অক্টোবর থেকে এ আন্দোলন চালিয়ে আসছে শিক্ষকরা। আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে বিএনপি, গণ অধিকার পরিষদ ও এনসিপি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে আশ্বাস দিয়েছেন, ২২ অক্টোবর তিনি আন্দোলনস্থলে যোগ দেবেন এবং বিষয়টি অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে তুলবেন।
এদিকে, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ড এড়াতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। রোববারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অফিস ত্যাগের আগে রুমের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, ফ্যান, লাইট, এসির প্লাগ বন্ধ রাখতে হবে।
শিক্ষক আন্দোলনের মধ্যে এই সতর্কতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।











